হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন এক কোটি থেকে এক কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হচ্ছে বলে দাবি করেছে হোয়াইট হাউস। শনিবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপিকে দেওয়া এক বক্তব্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
ওই কর্মকর্তা বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসছে। মার্কিন নৌবাহিনীর তৈরি বিকল্প নৌপথ ব্যবহারের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, গত ১৪ জুলাই ইরানের ওপর নৌ অবরোধ পুনরায় শুরুর পর তারা ১০৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে।
তবে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের দাবির পার্থক্য রয়েছে। কেপলারের হিসাবে, বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র তিনটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ১২টি। গত ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭টি জাহাজ এই প্রণালি ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে প্রণালিটির নৌ চলাচল অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ে।
পরবর্তী সময়ে ১৮ জুন দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক কার্যকর হলে কয়েক দিনের জন্য প্রণালিটি আবার চালু হয়। তবে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় নৌ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।
তেহরান বারবার দাবি করে আসছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রণালিটি ‘খোলা ও সচল’ রয়েছে বলে দাবি করে আসছেন।

অনলাইন ডেস্ক 


















