ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

blank

হুতিদের হামলার কারণে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় ঢাকা থেকে সৌদিগামী এখন পর্যন্ত ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে ৩৬টি সরাসরি এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এর ফলে মোট ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, সালামএয়ারের চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট। অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে ইন্ডিগোর ফ্লাইট।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকায় এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের ভ্রমণসূচিতে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে যাত্রীদের নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছানো, সংযোগ ফ্লাইট ধরতে পারা এবং পরবর্তী ভ্রমণ পরিকল্পনা ঠিক রাখা নিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকার কারণেই ফ্লাইট চলাচলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

জনপ্রিয় খবর
blank

কলাপাড়ায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বুলিং, কোচিং বাণিজ্য এবং পাঠদানে অবহেলার অভিযোগ।

সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী

প্রকাশের সময় : ১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
blank

হুতিদের হামলার কারণে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় ঢাকা থেকে সৌদিগামী এখন পর্যন্ত ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া এসব ফ্লাইটের মধ্যে ৩৬টি সরাসরি এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এর ফলে মোট ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের পাঁচটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।
অন্যদিকে, বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১১টি, কাতার এয়ারওয়েজের ছয়টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, সালামএয়ারের চারটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট। অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে ইন্ডিগোর ফ্লাইট।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকায় এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের ভ্রমণসূচিতে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে যাত্রীদের নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছানো, সংযোগ ফ্লাইট ধরতে পারা এবং পরবর্তী ভ্রমণ পরিকল্পনা ঠিক রাখা নিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকার কারণেই ফ্লাইট চলাচলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনার সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।