ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুলা জ্বালাতেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

blank

গাজীপুরের টঙ্গীতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার লাল চান (৬০) ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০)। তাঁদের মেয়ে তানিশা আক্তারের (১৬) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। লাল চান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকায় মাস্টারবাড়িসংলগ্ন একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার প্রথম আলোকে জানান, লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তাঁর স্ত্রী নাসিমার ৮৫ শতাংশ এবং মেয়ে তানিশার ৮৬ শতাংশ পুড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। বুধবার সকাল সাতটার দিকে নাসিমা রান্নার জন্য চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে নাসিমা, লাল চান ও তাঁদের মেয়ে তানিশা দগ্ধ হন।

তাঁদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভান। পরে দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতেই লাল চান ও নাসিমার মৃত্যু হয়। তাঁদের মেয়ে তানিশা এখনো আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিহত স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

কলাপাড়ায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বুলিং, কোচিং বাণিজ্য এবং পাঠদানে অবহেলার অভিযোগ।

চুলা জ্বালাতেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন, দগ্ধ স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ২০ মিনিট আগে
blank

গাজীপুরের টঙ্গীতে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-স্ত্রী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার রাতে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার কুড়িপাড়া এলাকার লাল চান (৬০) ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০)। তাঁদের মেয়ে তানিশা আক্তারের (১৬) অবস্থাও আশঙ্কাজনক। লাল চান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুদাফা এলাকায় মাস্টারবাড়িসংলগ্ন একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার প্রথম আলোকে জানান, লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তাঁর স্ত্রী নাসিমার ৮৫ শতাংশ এবং মেয়ে তানিশার ৮৬ শতাংশ পুড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে রান্নাঘরে গ্যাস জমে ছিল। বুধবার সকাল সাতটার দিকে নাসিমা রান্নার জন্য চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে নাসিমা, লাল চান ও তাঁদের মেয়ে তানিশা দগ্ধ হন।

তাঁদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভান। পরে দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতেই লাল চান ও নাসিমার মৃত্যু হয়। তাঁদের মেয়ে তানিশা এখনো আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিহত স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।