ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ৫ দিন পর পরিবহন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

blank

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শফিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক পরিবহন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কালিকাপুর গুচ্ছগ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শফিকুল ইসলাম কালিকাপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে। তিনি বনপাড়া বাইপাস এলাকার শ্যামলী পরিবহনে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম গত ১ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দা ছাইদুল ইসলামের নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন সেখানে গিয়ে একটি ঘরের ভেতর শফিকুলের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে শফিকুলের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শফিকুল মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক সেবনের সময় কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলেও তারা ধারণা করছেন। তবে এসব দাবির কোনোটি এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

নাটোরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ৫ দিন পর পরিবহন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শফিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক পরিবহন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কালিকাপুর গুচ্ছগ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শফিকুল ইসলাম কালিকাপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে। তিনি বনপাড়া বাইপাস এলাকার শ্যামলী পরিবহনে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম গত ১ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দা ছাইদুল ইসলামের নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন সেখানে গিয়ে একটি ঘরের ভেতর শফিকুলের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে শফিকুলের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, শফিকুল মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক সেবনের সময় কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলেও তারা ধারণা করছেন। তবে এসব দাবির কোনোটি এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।