ঢাকা বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাথায় আঘাত করে মা-মেয়ে-নাতিকে হত্যা

blank

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন—মনিরা বেগম (৬০), তাঁর ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) এবং মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৯০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে কয়েকজন প্রতিবেশী নারী ওই বাড়িতে গিয়ে বারান্দায় এক বৃদ্ধার মরদেহ দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে আরও দুজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। মরদেহে পচন ধরায় এমন ধারণা করা হচ্ছে। বাড়িতে নিয়মিত লোকজনের যাতায়াত না থাকায় ঘটনাটি এতদিন নজরে আসেনি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন আর রশিদ বলেন, মরদেহগুলোর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বড়াইগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত

মাথায় আঘাত করে মা-মেয়ে-নাতিকে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
blank

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন—মনিরা বেগম (৬০), তাঁর ছেলে আহাদ হাওলাদার (২৫) এবং মনিরা বেগমের মা রাশিদা বেগম (৯০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে কয়েকজন প্রতিবেশী নারী ওই বাড়িতে গিয়ে বারান্দায় এক বৃদ্ধার মরদেহ দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে আরও দুজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশের ধারণা, দুই থেকে তিন দিন আগে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। মরদেহে পচন ধরায় এমন ধারণা করা হচ্ছে। বাড়িতে নিয়মিত লোকজনের যাতায়াত না থাকায় ঘটনাটি এতদিন নজরে আসেনি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন আর রশিদ বলেন, মরদেহগুলোর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।