মনে হচ্ছে এইতো সেদিনের ঘটনা,
জানি আমি ভুলোনি তুমিও
তরতাজা সবটাই স্মৃতিতে অম্লান।
পাঁচতারকা হোটেল নয়,
নয় কোন নামি-দামি বিনোদন কেন্দ্র।
তোমার আমার প্রথম দেখা
তোমারই কর্মস্থল, গরীরের আস্থা
অতিপ্রাচীন, সবারই পরিচিত
হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল।
বেমানান লাগছে শুনতে,
নেই লজ্জা, তাতে কি?
তুমি আমি ডাক্তার
সকলে জেনে যাক
তাই বলছি, হাসপাতাল
এটাতো আমাদেরই সত্তা।
তুমি তখন নিজ পেশায় কর্মরত
সাদা শুভ্র এপ্রোনটা জড়ানো
অনেকটা ঢাকা তাই তোমার গা।
বাড়তি কোন সাজগোজে
কাউকে না ঠকানোর পণ যেন
রুপের চেয়েও গুরুত্ব বেশি
পারিবারিক শিক্ষাটা মজবুত
এক লহমায় বুঝে নিলাম।
সুন্দর অসুন্দর খুৃঁজতে গিয়ে
কোমল আর নমনীয়তা
অনাবৃত অংশে টের পেলাম।
ভালো লাগা দোল খেলো,
শিহরণে আবেশিত আমার গা
লজ্জায় আবর্ত ক্ষীন তবু
তুমি দাঁড়িয়ে এক চাহনি দূরত্বে
অস্পৃশ্য আলতো ছোঁয়ার
অনুভব,
ফিরে ফিরে আসছে যেন
সাতপাঁচ না ভেবে মনে মনে
আমিও পণ করলাম,
তোমাতেই সঁপে দেবো
যত্নে গড়া আমার প্রাণ।
বাকি জীবন বাঁচতে চাই
বুকভরা বাতাসে শ্বাস নেবো
আমার নয় তোমার প্রাণে।
কাগজের বউ নয়,
বিনিময়ে বাঁচবো মোরা
আমার দেহে তোমার প্রাণ।
তোমাতেই জীবন আমার
আমার মাঝে তুমি।
মনে প্রাণে চাইছি, তোমার একটা সম্মতি।
যদিও মন বলছে, না নয়
ক্ষণে ক্ষণে বাড়ছে শুধু
তোমাকে কাছে পাবার ব্যকুলতা
অবশেষে দূর থেকে শব্দহীন
খুৃঁজে পেলাম মৃদু তবু
বিস্তৃত উচ্ছাসের ঝলকানি তোমার মুখে।
নিশ্চিত না হয়েও নিশ্চিন্ত
ভাবলাম।
অভিজ্ঞ গনক ভেবে
মেনে নিলাম মনে মনে
তোমার ঐ মৌন সম্মতি
না হোক প্রবল কোন
আমার চাওয়া মৃদু হ্যাঁ
প্রবলবেগে ভালবেসে
মৃদু হ্যাঁ তখন না হয় দ্রুতি পাক।
আমি জানি তোমার জন্য
এই বুকে জমা আছে
নির্মল ও খুঁত বিহীন
অসীমের সমান যেন,
অফুরন্ত ভালবাসা।
কবিতা
বিবাহ বার্ষিকী
-
ডাঃ মাহাবুব আবির - প্রকাশের সময় : ০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
- 97
জনপ্রিয় খবর


























