ঢাকা শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতেই চুয়াডাঙ্গায় কনস্টেবল নিয়োগ: পুলিশ সুপারের কড়া বার্তা

blank

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের নিয়োগ পরীক্ষা। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং কোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।

প্রস্তুতি ও বিশেষ ব্রিফিং: নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর পূর্বলগ্নে গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ও ফোর্সদের নিয়ে এক বিশেষ ব্রিফিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। সভায় তিনি উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশ দেন।

অফিসার ও ফোর্সদের প্রতি নির্দেশনা: পুলিশ সুপার স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নিয়োগ কার্যক্রমে কোনো প্রকার শিথিলতা বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ব্রিফিংয়ে প্রধান কয়েকটি দিক তুলে ধরা হয়:

  • নিয়মানুবর্তিতা: সকল সদস্যকে নির্দিষ্ট সময়ের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ইউনিফর্মে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হতে হবে।

  • জিরো টলারেন্স: কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য বা অবৈধ সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফৌজদারি মামলাসহ কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সতর্কতা: নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এমন কোনো বহিরাগত বা অশুভ শক্তির তৎপরতা রুখতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

blank

প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বার্তা: নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “শুধুমাত্র মেধা ও শারীরিক যোগ্যতার ভিত্তিতেই পুলিশে নিয়োগ হবে। কোনো প্রতারক বা দালাল চক্রের প্রলোভনে পা দেবেন না।” তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শারীরিক পরীক্ষার পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যারা সেরা ফলাফল করবে, তারাই চূড়ান্ত সুপারিশ পাবে।

নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি ও নির্দেশাবলী: ১৮, ১৯ ও ২০ এপ্রিল প্রতিদিন সকাল ৮:০০টা থেকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে শারীরিক মাপ ও ‘Physical Endurance Test’ (PET) অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনাগুলো হলো: ১. নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নির্ধারিত লাইনে দাঁড়িয়ে মাঠে প্রবেশ করতে হবে। ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও কলম ছাড়া কোনো ব্যাগ বা মোবাইল ফোন সাথে রাখা যাবে না (নির্ধারিত স্থানে জমা রাখতে হবে)।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের তদারকি: নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করছেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা। ব্রিফিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) অনির্বাণ দাস, মো: সোয়েব আহমেদ ও হিমন বিশ্বাস।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, যোগ্য ও মেধাবী তরুণ-তরুণীদের পুলিশ বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো প্রকার তদবির বা অবৈধ লেনদেনের সুযোগ নেই—এই বার্তাটিই এখন চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষ ও চাকরিপ্রত্যাশীদের মাঝে আস্থার সঞ্চার করছে।

blank

নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২ লিটার চোলাই মদসহ দুই মহিলা গ্রেফতার

স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতেই চুয়াডাঙ্গায় কনস্টেবল নিয়োগ: পুলিশ সুপারের কড়া বার্তা

প্রকাশের সময় : ৩৩ মিনিট আগে
blank

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদের নিয়োগ পরীক্ষা। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং কোনো ধরনের প্রভাবমুক্ত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।

প্রস্তুতি ও বিশেষ ব্রিফিং: নিয়োগ কার্যক্রম শুরুর পূর্বলগ্নে গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ও ফোর্সদের নিয়ে এক বিশেষ ব্রিফিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। সভায় তিনি উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশ দেন।

অফিসার ও ফোর্সদের প্রতি নির্দেশনা: পুলিশ সুপার স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নিয়োগ কার্যক্রমে কোনো প্রকার শিথিলতা বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ব্রিফিংয়ে প্রধান কয়েকটি দিক তুলে ধরা হয়:

  • নিয়মানুবর্তিতা: সকল সদস্যকে নির্দিষ্ট সময়ের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ইউনিফর্মে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হতে হবে।

  • জিরো টলারেন্স: কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য বা অবৈধ সহযোগিতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফৌজদারি মামলাসহ কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সতর্কতা: নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এমন কোনো বহিরাগত বা অশুভ শক্তির তৎপরতা রুখতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

blank

প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বার্তা: নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “শুধুমাত্র মেধা ও শারীরিক যোগ্যতার ভিত্তিতেই পুলিশে নিয়োগ হবে। কোনো প্রতারক বা দালাল চক্রের প্রলোভনে পা দেবেন না।” তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শারীরিক পরীক্ষার পর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যারা সেরা ফলাফল করবে, তারাই চূড়ান্ত সুপারিশ পাবে।

নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি ও নির্দেশাবলী: ১৮, ১৯ ও ২০ এপ্রিল প্রতিদিন সকাল ৮:০০টা থেকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে শারীরিক মাপ ও ‘Physical Endurance Test’ (PET) অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনাগুলো হলো: ১. নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নির্ধারিত লাইনে দাঁড়িয়ে মাঠে প্রবেশ করতে হবে। ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও কলম ছাড়া কোনো ব্যাগ বা মোবাইল ফোন সাথে রাখা যাবে না (নির্ধারিত স্থানে জমা রাখতে হবে)।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের তদারকি: নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করছেন জেলার শীর্ষ কর্মকর্তারা। ব্রিফিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জামাল আল নাসের এবং সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিস) অনির্বাণ দাস, মো: সোয়েব আহমেদ ও হিমন বিশ্বাস।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, যোগ্য ও মেধাবী তরুণ-তরুণীদের পুলিশ বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কোনো প্রকার তদবির বা অবৈধ লেনদেনের সুযোগ নেই—এই বার্তাটিই এখন চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষ ও চাকরিপ্রত্যাশীদের মাঝে আস্থার সঞ্চার করছে।