ঢাকা শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৬০ টিরও অধিক মক্তব-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ মো আনিসুর রহমান

blank

বাংলাদেশ থেকে ইসলামী ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্তির পথে ঠিক সেই মুহুর্তে সারা দেশের বিভিন্ন জেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে ৬০ এটিরও অধিক মক্তব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ মাওলানা মো আনিসুর রহমান (আনিস)। জীবনের একেবারে শুরু থেকেই জীবন শিক্ষার বা বিদ্যাপিঠ মক্তব মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে আলোর পথে প্রবেশ করেন। তিনি মক্তব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেনই নাই তিনি বিশ্ব মানবতার কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

হাফেজ মো আনিসুর রহমান (আনিস) একজন বিশ্বস্ত বিশ্ব মানবতার ফেরিওয়ালা। বাংলাদেশ ও দেশের বাহিরে মানবিক সহায়তা প্রদান করে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ও মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে তিনি একের পর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানায় জন্ম গ্রহণ করলেও সারা দেশ ও বিদেশে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে সুনাম অর্জন করে চলেছেন। মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে অসুস্থ অসহায় রোগীকে রক্ত ম্যানেজ করে দেওয়ার মতো মহৎ কাজ দিয়ে শুরু করেন এবং উলামা-তলাবা মানবিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় ৬০ টিরও অধিক মক্তব, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। যে শিক্ষা আজ বিলুপ্তির পথে তা আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। ইসলামী ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থার এক অনন্য ইতিহাস তৈরী করতে চলেছেন।

তিনি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন মক্তব, মাদ্রাসা, মসজিদ, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা করা, বন্যা কবলিত মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতা করা, শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা, অবহেলিত নওমুসলিমদের সহযোগিতা করা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা এবং আইনী সহযোগিতা প্রদান করা, অসহায় দরিদ্র বিধবা – ইয়াতিমদেরকে সহযোগিতা করা, ধর্ষিতা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের পরিবারকে আইনী সহযোগিতা এবং আর্থিক সহযোগিতা, ধর্ষিতা মেয়ে ও প্রতিবন্ধী এবং বয়স্ক ও অসুন্দরী মেয়েদের বিবাহের সুব্যবস্তা করা, মজলুম কারাবন্দীদের মুক্তির জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করা, তাদের মুক্তির জন্য আইনী সহযোগিতা করা এবং তাদের পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, সোমালিয়া, কাশ্মির ও ভারতে নির্যাতিত মুসলিমদের আর্থিক সহযোগিতা করা, বেকার যুব সমাজের চাকরির ব্যবস্থা করা এবং আত্মকর্মসংস্থানে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা, ইসলামি শরীয়াহ ও ইসলামি খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার জন্য দিন রাত কাজ করা, মাদক জুয়া নারী কেলেংকারী সকল অন্যায় ও অনৈতিক কাজ থেকে যুবসমাজেকে বিরত রাখতে সারা দেশে সেমিনার আয়োজন করা, এপর্যন্ত তিনি ২৫-২৬ জন অমুসলিমকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে কালেমা পড়িয়ে মুসলমান বানিয়েছেন, গোটা মুসলিম উম্মাহের মুক্তির জন্য এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে মানবিক কাজ করা তার নেশা ও পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের যে কোন প্রান্তে যে কোন সমস্যার কথা শুনলেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তা সমাধানের জন্য, মুহুর্তের মধ্যে ছুটে চলেযান সেখানে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের আর্জি শোনেন তিনি। হাজারো মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কারণ হণ তিনি।

এপর্যন্ত ২৫ থেকে ২৬ জন অমুসলিমকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে কালিমা পড়িয়ে মুসলমান বানিয়েছেন। এমন অসংখ্য নওমুসলিমদের থাকা খাওয়া জামাকাপড় সহ সকল কিছুর ব্যবস্থা করেছেন এবং নিরাপত্তার জন্য আইনী সহযোগিতা পাইয়ে দিয়েছেন।

অসংখ্য ধর্ষিতা নারী ও শিশুকে এবং তাদের পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা, আইনী সহযোগিতা করেছেন এবং অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আইনী সহযোগিতাসহ আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন। ধর্ষিতা ও অসুন্দর এবং বয়স্ক মেয়েদের বিয়ের সুব্যবস্থা করে চলেছেন।

সারা দেশের অগণিত মজলুম কারাবন্দীদের মুক্তির জন্য আইনী সহযোগিতা এবং আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন। তাদের পরিবারে খাদ্য সামগ্রীসহ আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। পরিবার গুলোর নিয়মিত খোঁজ খবর নেন।

বহুবার ভারতীয় আগ্রাসন, ভারতীয় আধিপত্য বিস্তার, ভারতীয় দুঃশাসন, ভারতীয় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। ভারতে বসবাসরত মুসলমানদের উপর অন্যায়ভাবে জুলুম নির্যাতন, হামলা, গুম, খুন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। এভাবেই ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, মিশর, সোমালিয়া, কাশ্মীর ও নিজ দেশের মুসলমানদের উপর অন্যায়ভাবে হামলার প্রতিবাদ করেছেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। তিনি যেখানেই অন্যায় দেখেছেন সেখানেই তার প্রতিবাদ গড়ে তুলেছেন।

দেশের সবচেয়ে অবহেলিত, বঞ্চিত, লাঞ্চিত, যাযাবর জাতি বেদে পল্লী সম্প্রদায়ের মধ্যে মক্তব, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্তা করেছেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। সামাজিক মর্যাদা ও রাস্ট্রীয় অধিকার পাওয়ার জন্য, সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্য তাদেরকে নিয়ে কাজ করছেন। তাদের জীবনে আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন।

মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় অসহায় দরিদ্র বিধবা ইয়াতিম নিঃসন্তানদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী ও পোশাক উপহার হিসেবে বিতরণ করেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেন।

দেশের সিংহভাগ শিক্ষিত বেকার যুব সমাজের আর্তনাদ, হাহাকার, বুকের চাপা কষ্ট, মানসিক অস্থিরতা, আর্থিক দূরাবস্থা দূর করার জন্য চাকরির সুব্যবস্থা করে চলেছেন। তাদেরকে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সেমিনারের আয়োজন করেন। মাদক, জুয়া, নারী কেলেংকারী থেকে বাঁচাতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন ও চায়ের আড্ডা দিয়ে নসীহা পেশ করেন।

অসহায় দরিদ্র অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, আর্থিক সহযোগিতা করেন। দূর্ঘটনায় আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং নিহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করেন। সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে সেবা করেন, তাদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন।

হাফেজ মো আনিসুর রহমান (আনিস) একজন আলেম, উদীয়মান তরুণ বক্তা, বলিষ্ঠ প্রতিবাদী কণ্ঠ, ইমাম ও খতিব, ইসলামী গবেষক, লেখক, উদ্দোক্তা, মোটিভেটর, সংগঠক, মুক্ত চিন্তাশীল এবং ইসলামের দাঈয়ী। তিনি তার মানবিক কাজের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জন করেছেন অসংখ্য সম্মাননা সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট।

তিনি বলেন দেশের সকল ধর্মের, বর্ণের, পেশার মানুষের মুক্তির জন্য ইসলামী শরীয়াহ আইন বাস্তবায়ন করা এবং ইসলামী খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির জন্য একমাত্র আল্লাহর আইনই মুক্তির মাধ্যম , মানুষের তৈরী করা বা অন্য কোন মতবাদ বা তৈরী করা পথ কখনো মুক্তি ও শান্তি এনে দিতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন সকল বৈষম্য দূর করতে এবং অসহায় দরিদ্র অবহেলিত বঞ্চিত লাঞ্চিত মজলুম মানুষের মুক্তির জন্য সারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মক্তব মাদ্রাসা, মসজিদ, স্কুল কলেজ, মেডিকেল এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষে আমি কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু আমার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তাই যদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানবিক ব্যক্তি, সংগঠন, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং সরকারি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবীগণ এগিয়ে আসেন তাহলে খুব সহজেই মানবিক কাজ গুলো দ্রুত সম্ভব। তিনি সকলের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা এবং সহযোগিতা কামণা করেন।

blank

নওগাঁয় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪২ লিটার চোলাই মদসহ দুই মহিলা গ্রেফতার

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৬০ টিরও অধিক মক্তব-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ মো আনিসুর রহমান

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

বাংলাদেশ থেকে ইসলামী ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্তির পথে ঠিক সেই মুহুর্তে সারা দেশের বিভিন্ন জেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে ৬০ এটিরও অধিক মক্তব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাফেজ মাওলানা মো আনিসুর রহমান (আনিস)। জীবনের একেবারে শুরু থেকেই জীবন শিক্ষার বা বিদ্যাপিঠ মক্তব মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে আলোর পথে প্রবেশ করেন। তিনি মক্তব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেনই নাই তিনি বিশ্ব মানবতার কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

হাফেজ মো আনিসুর রহমান (আনিস) একজন বিশ্বস্ত বিশ্ব মানবতার ফেরিওয়ালা। বাংলাদেশ ও দেশের বাহিরে মানবিক সহায়তা প্রদান করে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ও মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে তিনি একের পর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানায় জন্ম গ্রহণ করলেও সারা দেশ ও বিদেশে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে সুনাম অর্জন করে চলেছেন। মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে অসুস্থ অসহায় রোগীকে রক্ত ম্যানেজ করে দেওয়ার মতো মহৎ কাজ দিয়ে শুরু করেন এবং উলামা-তলাবা মানবিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রায় ৬০ টিরও অধিক মক্তব, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। যে শিক্ষা আজ বিলুপ্তির পথে তা আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছেন তিনি। ইসলামী ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থার এক অনন্য ইতিহাস তৈরী করতে চলেছেন।

তিনি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন মক্তব, মাদ্রাসা, মসজিদ, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা করা, বন্যা কবলিত মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতা করা, শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা, অবহেলিত নওমুসলিমদের সহযোগিতা করা ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা এবং আইনী সহযোগিতা প্রদান করা, অসহায় দরিদ্র বিধবা – ইয়াতিমদেরকে সহযোগিতা করা, ধর্ষিতা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা ও তাদের পরিবারকে আইনী সহযোগিতা এবং আর্থিক সহযোগিতা, ধর্ষিতা মেয়ে ও প্রতিবন্ধী এবং বয়স্ক ও অসুন্দরী মেয়েদের বিবাহের সুব্যবস্তা করা, মজলুম কারাবন্দীদের মুক্তির জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করা, তাদের মুক্তির জন্য আইনী সহযোগিতা করা এবং তাদের পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, সোমালিয়া, কাশ্মির ও ভারতে নির্যাতিত মুসলিমদের আর্থিক সহযোগিতা করা, বেকার যুব সমাজের চাকরির ব্যবস্থা করা এবং আত্মকর্মসংস্থানে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করা, ইসলামি শরীয়াহ ও ইসলামি খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার জন্য দিন রাত কাজ করা, মাদক জুয়া নারী কেলেংকারী সকল অন্যায় ও অনৈতিক কাজ থেকে যুবসমাজেকে বিরত রাখতে সারা দেশে সেমিনার আয়োজন করা, এপর্যন্ত তিনি ২৫-২৬ জন অমুসলিমকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে কালেমা পড়িয়ে মুসলমান বানিয়েছেন, গোটা মুসলিম উম্মাহের মুক্তির জন্য এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে মানবিক কাজ করা তার নেশা ও পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের যে কোন প্রান্তে যে কোন সমস্যার কথা শুনলেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন তা সমাধানের জন্য, মুহুর্তের মধ্যে ছুটে চলেযান সেখানে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের আর্জি শোনেন তিনি। হাজারো মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কারণ হণ তিনি।

এপর্যন্ত ২৫ থেকে ২৬ জন অমুসলিমকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে কালিমা পড়িয়ে মুসলমান বানিয়েছেন। এমন অসংখ্য নওমুসলিমদের থাকা খাওয়া জামাকাপড় সহ সকল কিছুর ব্যবস্থা করেছেন এবং নিরাপত্তার জন্য আইনী সহযোগিতা পাইয়ে দিয়েছেন।

অসংখ্য ধর্ষিতা নারী ও শিশুকে এবং তাদের পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা, আইনী সহযোগিতা করেছেন এবং অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আইনী সহযোগিতাসহ আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন। ধর্ষিতা ও অসুন্দর এবং বয়স্ক মেয়েদের বিয়ের সুব্যবস্থা করে চলেছেন।

সারা দেশের অগণিত মজলুম কারাবন্দীদের মুক্তির জন্য আইনী সহযোগিতা এবং আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন। তাদের পরিবারে খাদ্য সামগ্রীসহ আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। পরিবার গুলোর নিয়মিত খোঁজ খবর নেন।

বহুবার ভারতীয় আগ্রাসন, ভারতীয় আধিপত্য বিস্তার, ভারতীয় দুঃশাসন, ভারতীয় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। ভারতে বসবাসরত মুসলমানদের উপর অন্যায়ভাবে জুলুম নির্যাতন, হামলা, গুম, খুন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। এভাবেই ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, মিশর, সোমালিয়া, কাশ্মীর ও নিজ দেশের মুসলমানদের উপর অন্যায়ভাবে হামলার প্রতিবাদ করেছেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। তিনি যেখানেই অন্যায় দেখেছেন সেখানেই তার প্রতিবাদ গড়ে তুলেছেন।

দেশের সবচেয়ে অবহেলিত, বঞ্চিত, লাঞ্চিত, যাযাবর জাতি বেদে পল্লী সম্প্রদায়ের মধ্যে মক্তব, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তাদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্তা করেছেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। সামাজিক মর্যাদা ও রাস্ট্রীয় অধিকার পাওয়ার জন্য, সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্য তাদেরকে নিয়ে কাজ করছেন। তাদের জীবনে আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন।

মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় অসহায় দরিদ্র বিধবা ইয়াতিম নিঃসন্তানদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী ও পোশাক উপহার হিসেবে বিতরণ করেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেন।

দেশের সিংহভাগ শিক্ষিত বেকার যুব সমাজের আর্তনাদ, হাহাকার, বুকের চাপা কষ্ট, মানসিক অস্থিরতা, আর্থিক দূরাবস্থা দূর করার জন্য চাকরির সুব্যবস্থা করে চলেছেন। তাদেরকে আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সেমিনারের আয়োজন করেন। মাদক, জুয়া, নারী কেলেংকারী থেকে বাঁচাতে নিয়মিত সেমিনারের আয়োজন ও চায়ের আড্ডা দিয়ে নসীহা পেশ করেন।

অসহায় দরিদ্র অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, আর্থিক সহযোগিতা করেন। দূর্ঘটনায় আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী এবং নিহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা করেন। সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে সেবা করেন, তাদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন।

হাফেজ মো আনিসুর রহমান (আনিস) একজন আলেম, উদীয়মান তরুণ বক্তা, বলিষ্ঠ প্রতিবাদী কণ্ঠ, ইমাম ও খতিব, ইসলামী গবেষক, লেখক, উদ্দোক্তা, মোটিভেটর, সংগঠক, মুক্ত চিন্তাশীল এবং ইসলামের দাঈয়ী। তিনি তার মানবিক কাজের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জন করেছেন অসংখ্য সম্মাননা সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট।

তিনি বলেন দেশের সকল ধর্মের, বর্ণের, পেশার মানুষের মুক্তির জন্য ইসলামী শরীয়াহ আইন বাস্তবায়ন করা এবং ইসলামী খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্তির জন্য একমাত্র আল্লাহর আইনই মুক্তির মাধ্যম , মানুষের তৈরী করা বা অন্য কোন মতবাদ বা তৈরী করা পথ কখনো মুক্তি ও শান্তি এনে দিতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন সকল বৈষম্য দূর করতে এবং অসহায় দরিদ্র অবহেলিত বঞ্চিত লাঞ্চিত মজলুম মানুষের মুক্তির জন্য সারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মক্তব মাদ্রাসা, মসজিদ, স্কুল কলেজ, মেডিকেল এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষে আমি কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু আমার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তাই যদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানবিক ব্যক্তি, সংগঠন, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এবং সরকারি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবীগণ এগিয়ে আসেন তাহলে খুব সহজেই মানবিক কাজ গুলো দ্রুত সম্ভব। তিনি সকলের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা এবং সহযোগিতা কামণা করেন।