ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিক্ষোভের মুখে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করলো ফ্রান্স

blank

ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমে সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এদিকে সরকারি বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশটির কাউন্সিল অব স্টেটে জরুরি আপিল করেছে বামপন্থী ও পরিবেশবাদী বিরোধী দলগুলো।

দ্য ইকোলজিস্টস, ফ্রান্স আনবোড, সোশ্যালিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর জারি করা বিক্ষোভ নিষেধাজ্ঞা এবং মিছিলের রুট পরিবর্তনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যৌথভাবে এ আবেদন করেছে।

ল্য পারিফাঁ পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ফ্রান্সজুড়ে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগের সপ্তাহের সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

blank

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সহিংসতা মোকাবিলায় সাঁজোয়া যান, জলকামান ও হেলিকপ্টারসহ বিপুল পরিমাণ নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্যারিসে পুলিশের প্রস্তাবিত মিছিলের রুট প্রত্যাখ্যান করে মূল আয়োজকেরা বাসতিল থেকে ঐতিহ্যবাহী পথেই শোভাযাত্রা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্র সংগঠন রেনোভো লিসির প্রধান ন্যাথানেল কোমবারি।

পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে প্যারিস, লিঁও, মার্সেই ও লিমোজেসসহ একাধিক শহরে রাতের কারফিউ, জনসমাবেশে বিধিনিষেধ এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওর্লিন্সে ডানপন্থী ন্যাশনাল র্যালির কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত তিন হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ফ্রান্সের বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানিন জানিয়েছেন, আগের সপ্তাহের সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বিক্ষোভের মুখে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করলো ফ্রান্স

বিক্ষোভের মুখে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করলো ফ্রান্স

প্রকাশের সময় : ৩ মিনিট আগে
blank

ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমে সদস্য মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এদিকে সরকারি বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশটির কাউন্সিল অব স্টেটে জরুরি আপিল করেছে বামপন্থী ও পরিবেশবাদী বিরোধী দলগুলো।

দ্য ইকোলজিস্টস, ফ্রান্স আনবোড, সোশ্যালিস্ট পার্টি ও কমিউনিস্ট পার্টিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর জারি করা বিক্ষোভ নিষেধাজ্ঞা এবং মিছিলের রুট পরিবর্তনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যৌথভাবে এ আবেদন করেছে।

ল্য পারিফাঁ পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ফ্রান্সজুড়ে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগের সপ্তাহের সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

blank

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সহিংসতা মোকাবিলায় সাঁজোয়া যান, জলকামান ও হেলিকপ্টারসহ বিপুল পরিমাণ নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্যারিসে পুলিশের প্রস্তাবিত মিছিলের রুট প্রত্যাখ্যান করে মূল আয়োজকেরা বাসতিল থেকে ঐতিহ্যবাহী পথেই শোভাযাত্রা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্র সংগঠন রেনোভো লিসির প্রধান ন্যাথানেল কোমবারি।

পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে প্যারিস, লিঁও, মার্সেই ও লিমোজেসসহ একাধিক শহরে রাতের কারফিউ, জনসমাবেশে বিধিনিষেধ এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওর্লিন্সে ডানপন্থী ন্যাশনাল র্যালির কংগ্রেসকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত তিন হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ফ্রান্সের বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানিন জানিয়েছেন, আগের সপ্তাহের সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।