ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য শিগগিরই বিশ্বমঞ্চে নতুন আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 147
blank

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব দরবারে গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান তৈরি করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন আলো ছড়াবে—এমন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ দেশের বিশিষ্ট গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গভীর ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

একুশে পদকের ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই সম্মাননা প্রবর্তন করেন। তার মতে, একুশে পদক শুধু একটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নয়; বরং ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাস ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় যাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাঁদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংযোগ স্থাপন করাই এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক এবং সংস্কৃতিচেতনার প্রাণস্রোত। এই দিনটি যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে স্মরণ করায়, তেমনি শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত।

ফেব্রুয়ারিকে ‘শেকড় সন্ধানী মাস’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আল্লাহর দরবারে তাদের শহিদি মর্যাদা প্রার্থনা করেন।

সুশাসন ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা একটি সভ্য ও অগ্রসর সমাজের পূর্বশর্ত। তিনি জানান, বর্তমান সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং নৈতিকতাভিত্তিক একটি উদার রাষ্ট্র নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গুণীজনদের কর্মময় জীবন ও অবদান সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরাকে রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় খবর
blank

কলাপাড়ায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বুলিং, কোচিং বাণিজ্য এবং পাঠদানে অবহেলার অভিযোগ।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য শিগগিরই বিশ্বমঞ্চে নতুন আলো ছড়াবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব দরবারে গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান তৈরি করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন আলো ছড়াবে—এমন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ দেশের বিশিষ্ট গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যাশার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যচর্চাকে আরও গভীর ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

একুশে পদকের ঐতিহাসিক গুরুত্ব স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই সম্মাননা প্রবর্তন করেন। তার মতে, একুশে পদক শুধু একটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নয়; বরং ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাস ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জীবন্ত করে রাখার এক শক্তিশালী মাধ্যম।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় যাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন, তাঁদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংযোগ স্থাপন করাই এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

জাতীয় জীবনে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক এবং সংস্কৃতিচেতনার প্রাণস্রোত। এই দিনটি যেমন মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে স্মরণ করায়, তেমনি শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত।

ফেব্রুয়ারিকে ‘শেকড় সন্ধানী মাস’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আল্লাহর দরবারে তাদের শহিদি মর্যাদা প্রার্থনা করেন।

সুশাসন ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা একটি সভ্য ও অগ্রসর সমাজের পূর্বশর্ত। তিনি জানান, বর্তমান সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং নৈতিকতাভিত্তিক একটি উদার রাষ্ট্র নির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গুণীজনদের কর্মময় জীবন ও অবদান সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরাকে রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তরুণ প্রজন্মকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।