ঢাকা শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পাট তোলা ও শুকানোয় ব্যস্ত কৃষক

blank

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন পাট তোলা ও জাগ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। মাঠ থেকে পাট কেটে আঁটি বেঁধে পানিতে জাগ দেওয়া, নির্দিষ্ট সময় পর পাটের আঁশ ছাড়ানো এবং তা রোদে শুকানোর কাজে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন তারা। কৃষকদের এ কাজে পরিবারের নারী সদস্যরাও সহযোগিতা করছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে কাটা পাটের আঁটি, কোথাও পানিতে জাগ দেওয়া পাট, আবার কোথাও শুকানোর জন্য মেলে রাখা হয়েছে পাটের আঁশ। পানিতে পাট জাগ দেওয়ার পর কৃষকরা আঁশ ছাড়িয়ে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিচ্ছেন। পাশাপাশি পাটের কাঠিও সংগ্রহ করে রোদে শুকানো হচ্ছে।

blank

কৃষকরা জানান, পাট কাটার পর সময়মতো জাগ দেওয়া এবং সঠিকভাবে আঁশ ছাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাগ দেওয়ার সময় ঠিক না হলে পাটের আঁশের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পাট কাটার পর থেকেই শুরু হয় তাদের ব্যস্ততা। পরিবারের নারী সদস্যরা পাটের আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া ও শুকানোর কাজে পুরুষদের সহযোগিতা করছেন।

বড়াইগ্রামের বিভিন্ন জলাশয়, খাল ও নিচু জমিতে পাট জাগ দেওয়ার দৃশ্য এখন চোখে পড়ছে। কোথাও কৃষক পানিতে নেমে পাটের আঁটি ডুবিয়ে রাখছেন, আবার কোথাও জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে তা কাঁধে করে বাড়িতে বা শুকানোর জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষকেরা বলেন, “পাট আমাদের অন্যতম অর্থকরী ফসল। পাটের ভালো দাম পেলে কৃষকরা লাভবান হন। তাই পাট ঘরে তোলা পর্যন্ত আমাদের ব্যস্ততার শেষ থাকে না।”

পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। দেশের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে পাটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা থাকায় এ ফসলকে ঘিরে কৃষকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বড়াইগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের এই ব্যস্ত সময়ের চিত্র উঠে এসেছে। মাঠে পাট কাটা থেকে শুরু করে পানিতে জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর প্রতিটি ধাপেই ফুটে উঠেছে গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা কর্মচাঞ্চল্য।

জনপ্রিয় খবর
blank

বড়াইগ্রামে ২৭২ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বড়াইগ্রামে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পাট তোলা ও শুকানোয় ব্যস্ত কৃষক

প্রকাশের সময় : ২২ মিনিট আগে
blank

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন পাট তোলা ও জাগ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। মাঠ থেকে পাট কেটে আঁটি বেঁধে পানিতে জাগ দেওয়া, নির্দিষ্ট সময় পর পাটের আঁশ ছাড়ানো এবং তা রোদে শুকানোর কাজে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন তারা। কৃষকদের এ কাজে পরিবারের নারী সদস্যরাও সহযোগিতা করছেন।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে কাটা পাটের আঁটি, কোথাও পানিতে জাগ দেওয়া পাট, আবার কোথাও শুকানোর জন্য মেলে রাখা হয়েছে পাটের আঁশ। পানিতে পাট জাগ দেওয়ার পর কৃষকরা আঁশ ছাড়িয়ে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিচ্ছেন। পাশাপাশি পাটের কাঠিও সংগ্রহ করে রোদে শুকানো হচ্ছে।

blank

কৃষকরা জানান, পাট কাটার পর সময়মতো জাগ দেওয়া এবং সঠিকভাবে আঁশ ছাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাগ দেওয়ার সময় ঠিক না হলে পাটের আঁশের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পাট কাটার পর থেকেই শুরু হয় তাদের ব্যস্ততা। পরিবারের নারী সদস্যরা পাটের আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া ও শুকানোর কাজে পুরুষদের সহযোগিতা করছেন।

বড়াইগ্রামের বিভিন্ন জলাশয়, খাল ও নিচু জমিতে পাট জাগ দেওয়ার দৃশ্য এখন চোখে পড়ছে। কোথাও কৃষক পানিতে নেমে পাটের আঁটি ডুবিয়ে রাখছেন, আবার কোথাও জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে তা কাঁধে করে বাড়িতে বা শুকানোর জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষকেরা বলেন, “পাট আমাদের অন্যতম অর্থকরী ফসল। পাটের ভালো দাম পেলে কৃষকরা লাভবান হন। তাই পাট ঘরে তোলা পর্যন্ত আমাদের ব্যস্ততার শেষ থাকে না।”

পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। দেশের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানে পাটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা থাকায় এ ফসলকে ঘিরে কৃষকদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

বড়াইগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের এই ব্যস্ত সময়ের চিত্র উঠে এসেছে। মাঠে পাট কাটা থেকে শুরু করে পানিতে জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো ও রোদে শুকানোর প্রতিটি ধাপেই ফুটে উঠেছে গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা কর্মচাঞ্চল্য।