ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীন সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে ১১ চুক্তি-সমঝোতা, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

blank

ঢাকা প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, সফরকালে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাক্ষাৎ করেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতার প্রতিফলন।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ৮টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে মোংলা বন্দর উন্নয়ন এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। এছাড়া তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। তিনি দাবি করেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিও থেকেই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন পাওয়া যায়।

তিনি জানান, মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করার বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার বিষয়ে এবং তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় নীতিগতভাবে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বাংলাদেশকে উন্নয়নের স্থায়ী অংশীদার হিসেবে দেখতে চান। তিনি আরও বলেছেন, ব্রিকস এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় (এসসিও) বাংলাদেশের নতুন সদস্যপদের আবেদনকে চীন সমর্থন করবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাইবার অপরাধের অভিযোগ

চীন সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে ১১ চুক্তি-সমঝোতা, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

ঢাকা প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, সফরকালে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাক্ষাৎ করেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতার প্রতিফলন।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ৮টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে মোংলা বন্দর উন্নয়ন এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। এছাড়া তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। তিনি দাবি করেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিও থেকেই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন পাওয়া যায়।

তিনি জানান, মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করার বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার বিষয়ে এবং তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় নীতিগতভাবে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বাংলাদেশকে উন্নয়নের স্থায়ী অংশীদার হিসেবে দেখতে চান। তিনি আরও বলেছেন, ব্রিকস এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় (এসসিও) বাংলাদেশের নতুন সদস্যপদের আবেদনকে চীন সমর্থন করবে।