ঢাকা রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জের হাওড়ে চিচিংগার বাম্পার ফলন, লাভবান কৃষকরা

blank

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে এবার চিচিংগার বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়নের কয়রাকান্দা গ্রামে চিচিংগা চাষ করে ভালো লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যার কারণে ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও সন্তোষজনক পাচ্ছেন তারা।

কয়রাকান্দা গ্রামের কৃষক হিমেল মণ্ডল জানান, “এবার চিচিংগার ফলন খুব ভালো হয়েছে। প্রতি গাছেই অনেক ফল ধরেছে। বাজারেও ভালো দাম পাচ্ছি, তাই খরচ উঠিয়ে লাভ থাকছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরের উর্বর জমি ও বাড়ির আশপাশের আঙিনায় ব্যাপকভাবে চিচিংগা চাষ করেছেন কৃষকরা। প্রতিদিনই এসব এলাকা থেকে চিচিংগা সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ইটনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিজয় কুমার হালদার বলেন, “আমরা কৃষকদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। উন্নত জাতের বীজ, চাষাবাদের প্রশিক্ষণ এবং রোগবালাই দমনে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চিচিংগার বাম্পার ফলনে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে এখন হাসি। তারা আশা করছেন, এভাবে সবজি চাষ অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হবে।

blank

বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের কোচিং- ছায়া শিক্ষার বাস্তবতা

কিশোরগঞ্জের হাওড়ে চিচিংগার বাম্পার ফলন, লাভবান কৃষকরা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
blank

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে এবার চিচিংগার বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ি ইউনিয়নের কয়রাকান্দা গ্রামে চিচিংগা চাষ করে ভালো লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যার কারণে ফলন যেমন ভালো হয়েছে, তেমনি বাজারে দামও সন্তোষজনক পাচ্ছেন তারা।

কয়রাকান্দা গ্রামের কৃষক হিমেল মণ্ডল জানান, “এবার চিচিংগার ফলন খুব ভালো হয়েছে। প্রতি গাছেই অনেক ফল ধরেছে। বাজারেও ভালো দাম পাচ্ছি, তাই খরচ উঠিয়ে লাভ থাকছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাওরের উর্বর জমি ও বাড়ির আশপাশের আঙিনায় ব্যাপকভাবে চিচিংগা চাষ করেছেন কৃষকরা। প্রতিদিনই এসব এলাকা থেকে চিচিংগা সংগ্রহ করে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

ইটনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিজয় কুমার হালদার বলেন, “আমরা কৃষকদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। উন্নত জাতের বীজ, চাষাবাদের প্রশিক্ষণ এবং রোগবালাই দমনে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চিচিংগার বাম্পার ফলনে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে এখন হাসি। তারা আশা করছেন, এভাবে সবজি চাষ অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব হবে।