ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানক্ষেত থেকে ৫ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

blank

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের চার দিন পর ইউসুফ আলী (৫) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বালুয়াহাট গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ইউসুফ। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সোমবার শিশুটির স্বজনেরা সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহের মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, শিশুটিকে হত্যার কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতি ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

কলাপাড়ায় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বুলিং, কোচিং বাণিজ্য এবং পাঠদানে অবহেলার অভিযোগ।

ধানক্ষেত থেকে ৫ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
blank

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের চার দিন পর ইউসুফ আলী (৫) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বালুয়াহাট গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশ পাওয়া যায়নি। ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় ইউসুফ। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে সোমবার শিশুটির স্বজনেরা সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বগুড়ার সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, ভারী কোনো বস্তুর আঘাতে শিশুটিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহের মাথা, হাত ও পায়ের কিছু অংশের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, শিশুটিকে হত্যার কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। তদন্তের অগ্রগতি ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।