ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকল দুধ তৈরির অভিযোগে ভাঙ্গুড়ায় লাখ টাকা জরিমানা

blank

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির অভিযোগে আবুল বাশার (৪৫) নামে এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীর বাড়ি সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার রাতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি অভিযান চালিয়ে এ ব্যবস্থা নেন।

আবুল বাশার উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাড়িতে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এর আগেও দুইবার নকল দুধ তৈরির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিনি শাস্তির মুখে পড়েন। গত বছরও উপজেলা প্রশাসন তাঁর বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে। তবে এরপরও নকল দুধ তৈরির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে আবুল বাশারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নকল দুধ তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ও তৈরি করা দুধ পাওয়া যায়। অভিযানের খবর পেয়ে আবুল বাশার পালিয়ে যান। পরে তাঁর স্ত্রীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাড়িটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও ব্লেন্ডার ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ছয় বছর ধরে কস্টিক সোডা, গ্লুকোজ জেলি, সয়াবিন তেল ও চিনি ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করতেন আবুল বাশার। এসব দুধ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানিতে সরবরাহ করা হতো।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ও ৪৩ ধারায় অপরাধের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির স্থানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

blank

ঈশ্বরদীতে ব্যবসায়ীকে আটকে ৭ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

নকল দুধ তৈরির অভিযোগে ভাঙ্গুড়ায় লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময় : ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
blank

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির অভিযোগে আবুল বাশার (৪৫) নামে এক দুগ্ধ ব্যবসায়ীর বাড়ি সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার রাতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি অভিযান চালিয়ে এ ব্যবস্থা নেন।

আবুল বাশার উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আবু তালেবের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাড়িতে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এর আগেও দুইবার নকল দুধ তৈরির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিনি শাস্তির মুখে পড়েন। গত বছরও উপজেলা প্রশাসন তাঁর বাড়িতে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা করে। তবে এরপরও নকল দুধ তৈরির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে আবুল বাশারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নকল দুধ তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ও তৈরি করা দুধ পাওয়া যায়। অভিযানের খবর পেয়ে আবুল বাশার পালিয়ে যান। পরে তাঁর স্ত্রীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাড়িটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়। এ সময় নকল দুধ তৈরির সরঞ্জাম ও ব্লেন্ডার ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ছয় বছর ধরে কস্টিক সোডা, গ্লুকোজ জেলি, সয়াবিন তেল ও চিনি ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করতেন আবুল বাশার। এসব দুধ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ কোম্পানিতে সরবরাহ করা হতো।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ও ৪৩ ধারায় অপরাধের দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নকল দুধ তৈরির স্থানটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।