ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

blank

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়ে দিল্লিতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সংসদ সদস্য দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলেকেও আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এর মধ্যেই আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি তখন দিল্লির ১৮৩ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে তৃণমূলের সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বাইরে যেতে না পেরে দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে সাউথ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচিতে বসে পড়েন তিনি। সেখান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাসভবন থেকে বের হতে বাধা দেয় পুলিশ। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে না দেওয়ায় তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে বাড়ির সামনের সড়কে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।

আটকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের আমন্ত্রণে তাঁরা কর্মসূচিতে যোগ দিতে বের হয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তরুণ প্রজন্ম তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু সিজেপির কর্মীদেরও আটক করা হয়েছে, অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কাউকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, তাঁরা সব সময় ছাত্র ও যুবসমাজের পাশে রয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এ সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের বাসে তুলে দীর্ঘক্ষণ শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গেও পুলিশ একই আচরণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিজয়নকেও প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে রাস্তায় ঘোরানো হয়েছিল।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সংসদ সদস্যদের আটকের ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

blank

চট্টগ্রামে রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত করতে মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
blank

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়ে দিল্লিতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সংসদ সদস্য দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলেকেও আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এর মধ্যেই আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি তখন দিল্লির ১৮৩ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে তৃণমূলের সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বাইরে যেতে না পেরে দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে সাউথ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচিতে বসে পড়েন তিনি। সেখান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাসভবন থেকে বের হতে বাধা দেয় পুলিশ। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে না দেওয়ায় তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে বাড়ির সামনের সড়কে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।

আটকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের আমন্ত্রণে তাঁরা কর্মসূচিতে যোগ দিতে বের হয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তরুণ প্রজন্ম তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু সিজেপির কর্মীদেরও আটক করা হয়েছে, অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কাউকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, তাঁরা সব সময় ছাত্র ও যুবসমাজের পাশে রয়েছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। এ সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের বাসে তুলে দীর্ঘক্ষণ শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গেও পুলিশ একই আচরণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বিজয়নকেও প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে রাস্তায় ঘোরানো হয়েছিল।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সংসদ সদস্যদের আটকের ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।