ফরিদপুরে এক তরুণের বিরুদ্ধে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে নিজের দাদি, ফুফু এবং এক প্রতিবেশীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে জেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গদাধর ডাঙ্গী গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন আমেনা বেগম (৭০) অভিযুক্ত তরুণের দাদি, রাহেলা বেগম (৪৫) অভিযুক্তের ফুফু এবং কাবুল আহমেদ (৪০) প্রতিবেশী ও পেশায় রিকশাচালক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে গদাধর ডাঙ্গী গ্রামের হারুন মোল্লার ছেলে আকাশ মোল্লা হঠাৎ করেই তার দাদি আমেনা বেগম ও ফুফু রাহেলা বেগমকে কোদাল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় তাদের বাঁচাতে প্রতিবেশী রিকশাচালক কাবুল আহমেদ ও রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) এগিয়ে এলে, আকাশ তাদের ওপরও চড়াও হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রিয়াজুল ইসলামকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমিন হোসেন জানান, রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং বাড়ির উঠানে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তবে ঠিক কী কারণে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কোদাল দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত আকাশ মোল্লাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে এবং হত্যার পেছনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক 


















