জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ৭ নভেম্বরই এই ভিত্তি স্থাপিত হয়। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার পথে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দেশের জন্য জেনারেল এম এ জি ওসমানী, জিয়াউর রহমান, মাওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান বাংলাদেশের মানুষ কখনোই অস্বীকার করতে পারবে না।”
শনিবার নাটোর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হুইপ দুলু আরও বলেন, “সত্যিকারের ইতিহাস লিখতে হবে। বারবার ইতিহাস বিকৃত করে জিয়াউর রহমানকে ছোট করা হয়েছে। এতে জাতি হিসেবে আমরাই ছোট হয়েছি। তাই আমাদের পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। আমরা প্রতিহিংসা ও আক্রমণের রাজনীতি করতে চাই না। দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।”
নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইফতে খায়ের আলম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফরিদ প্রমুখ।
অন্যদিকে, সকালে আলাইপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়।
এরপর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হুইপ দুলু। এ সময় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান বাবুল চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন ও সাইফুল ইসলাম আফতাব, সদস্য শহীদুল ইসলাম বাচ্চু এবং জেলা যুবদলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম।
দিবসটি উপলক্ষে দুপুর ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি দেশাত্মবোধক সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিশু একাডেমি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং জেলা তথ্য অফিস প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ।
এ ছাড়া জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। সরকারি হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু সদনগুলোতে পরিবেশন করা হয় উন্নতমানের খাবার।

মোঃ আব্দুল হাকিম ,নাটোর 



















