ঢাকা সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাকিম চত্বরে বিকেলের আড্ডায় স্মৃতির হাতছানি: নাটোরের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল

blank

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র হাকিম চত্বর। শতবর্ষের এই ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইট-পাথর যেন ধারণ করে অসংখ্য স্বপ্ন, সংগ্রাম আর স্মৃতির গল্প। ঠিক এমনই এক স্নিগ্ধ শনিবারের (১ আগস্ট) বিকেলে সেই পরিচিত আড্ডার আসর যেন ফিরে পেল এক ভিন্ন মাত্রা। নিজের ছাত্রজীবনের প্রিয় ক্যাম্পাসে অনানুষ্ঠানিক সফরে এসে উপস্থিত হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নাটোর জেলার শিক্ষার্থীরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করে নেন। আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে এটি যেন হয়ে ওঠে এক প্রজন্মের সঙ্গে আরেক প্রজন্মের হৃদয়ের সংযোগের মুহূর্ত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সাব্বির রহমান একান্ত, সহ-সভাপতি আজিজুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোছা. কাকলী খাতুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক তানভীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান শ্রাবণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রনি আহম্মেদ ও রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

প্রতিমন্ত্রীর ক্যাম্পাসে আগমের খবর জানতে পেরে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত  অন্যান্য জেলার সাধারণ শিক্ষার্থী ও  ছাত্রনেত্রবৃন্দ তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। তিনি উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীর সঙ্গে শুভেছা বিনময় করেন।

blank

আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের প্রিয় ক্যাম্পাসে ফিরে এসে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। পরিচিত হন নতুন প্রজন্মের মেধাবী তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে। আড্ডার ফাঁকে তিনি ফিরে যান নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিময় দিনগুলোয়। স্মৃতিচারণ করেন বন্ধু, ক্লাস, আন্দোলন, স্বপ্ন আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা গল্প।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, সমাজ ও দেশের কল্যাণেও কাজে লাগাতে হবে। পড়াশোনার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নাটোর জেলার সুনাম দেশ-বিদেশে আরও উজ্জ্বল করতে নিজেদের যোগ্যতা, সততা ও মানবিকতার মাধ্যমে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিকেলের নরম আলো, সবুজ গাছের ছায়া আর হাকিম চত্বরের মুক্ত পরিবেশে প্রাণবন্ত সেই আড্ডা যেন এক অনন্য আবহের জন্ম দেয়। সেখানে ছিল না কোনো প্রটোকলের কঠোরতা; ছিল শুধুই আন্তরিকতা, আপনজনের মতো গল্প আর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের কথা।

রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য সময় বের করে ক্যাম্পাসে আসায় নাটোরের শিক্ষার্থীরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের বিশ্বাস, এমন আন্তরিক সাক্ষাৎ শুধু প্রেরণাই নয়, আগামী দিনের পথচলায় আত্মবিশ্বাসও জোগাবে।

একটি বিকেল, কিছু আন্তরিক আলাপ, আর প্রিয় ক্যাম্পাসের স্মৃতিমাখা বাতাস—সব মিলিয়ে হাকিম চত্বরের সেই আয়োজন উপস্থিত সবার মনে হয়ে থাকবে দীর্ঘদিনের এক উষ্ণ, অনুপ্রেরণাময় স্মৃতি।

জনপ্রিয় খবর
blank

বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি : সভাপতি মাহমুদুল হাসান, সম্পাদক শাহাবুদ্দিন

হাকিম চত্বরে বিকেলের আড্ডায় স্মৃতির হাতছানি: নাটোরের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে
blank

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র হাকিম চত্বর। শতবর্ষের এই ক্যাম্পাসের প্রতিটি ইট-পাথর যেন ধারণ করে অসংখ্য স্বপ্ন, সংগ্রাম আর স্মৃতির গল্প। ঠিক এমনই এক স্নিগ্ধ শনিবারের (১ আগস্ট) বিকেলে সেই পরিচিত আড্ডার আসর যেন ফিরে পেল এক ভিন্ন মাত্রা। নিজের ছাত্রজীবনের প্রিয় ক্যাম্পাসে অনানুষ্ঠানিক সফরে এসে উপস্থিত হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নাটোর জেলার শিক্ষার্থীরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করে নেন। আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে এটি যেন হয়ে ওঠে এক প্রজন্মের সঙ্গে আরেক প্রজন্মের হৃদয়ের সংযোগের মুহূর্ত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সাব্বির রহমান একান্ত, সহ-সভাপতি আজিজুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোছা. কাকলী খাতুন, সহ-সাধারণ সম্পাদক তানভীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান এবং দপ্তর সম্পাদক শামসুজ্জামান শ্রাবণ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রনি আহম্মেদ ও রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

প্রতিমন্ত্রীর ক্যাম্পাসে আগমের খবর জানতে পেরে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত  অন্যান্য জেলার সাধারণ শিক্ষার্থী ও  ছাত্রনেত্রবৃন্দ তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। তিনি উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীর সঙ্গে শুভেছা বিনময় করেন।

blank

আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের প্রিয় ক্যাম্পাসে ফিরে এসে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক কুশল বিনিময় করেন। পরিচিত হন নতুন প্রজন্মের মেধাবী তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে। আড্ডার ফাঁকে তিনি ফিরে যান নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিময় দিনগুলোয়। স্মৃতিচারণ করেন বন্ধু, ক্লাস, আন্দোলন, স্বপ্ন আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা গল্প।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, সমাজ ও দেশের কল্যাণেও কাজে লাগাতে হবে। পড়াশোনার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নাটোর জেলার সুনাম দেশ-বিদেশে আরও উজ্জ্বল করতে নিজেদের যোগ্যতা, সততা ও মানবিকতার মাধ্যমে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বিকেলের নরম আলো, সবুজ গাছের ছায়া আর হাকিম চত্বরের মুক্ত পরিবেশে প্রাণবন্ত সেই আড্ডা যেন এক অনন্য আবহের জন্ম দেয়। সেখানে ছিল না কোনো প্রটোকলের কঠোরতা; ছিল শুধুই আন্তরিকতা, আপনজনের মতো গল্প আর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের কথা।

রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য সময় বের করে ক্যাম্পাসে আসায় নাটোরের শিক্ষার্থীরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের বিশ্বাস, এমন আন্তরিক সাক্ষাৎ শুধু প্রেরণাই নয়, আগামী দিনের পথচলায় আত্মবিশ্বাসও জোগাবে।

একটি বিকেল, কিছু আন্তরিক আলাপ, আর প্রিয় ক্যাম্পাসের স্মৃতিমাখা বাতাস—সব মিলিয়ে হাকিম চত্বরের সেই আয়োজন উপস্থিত সবার মনে হয়ে থাকবে দীর্ঘদিনের এক উষ্ণ, অনুপ্রেরণাময় স্মৃতি।