ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধুত্বের টানে বড়াইগ্রামে চীনা যুবক, একনজর দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

blank

মোবাইলের একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়, এরপর গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্বের টানেই সুদূর চীন থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামে বেড়াতে এসেছেন চীনা নাগরিক সুবেশ। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে একনজর দেখতে সাদিয়া খাতুনের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ওঠেন সুবেশ। সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে ও স্কুলছাত্রী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বন্ধুত্বের একপর্যায়ে সুবেশ বাংলাদেশে এসে সাদিয়ার বাড়িতে বেড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করতে তিনি নিজের পাসপোর্ট ও ভিসার কপি সাদিয়ার কাছে পাঠান। প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস না করলেও পরে সাদিয়া তার বাবা-মাকে জানালে তারা সম্মতি দেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসার পথে সুবেশ বিষয়টি নিশ্চিত করলে সাদিয়ার পরিবারের সদস্যরা ঢাকার বিমানবন্দর থেকে তাকে রিসিভ করে নাটোরের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

সাদিয়া খাতুন বলেন, “একটি অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে বাংলাদেশে এসে আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি। পরে সত্যিই সে ঢাকায় এলে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে আসেন। বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতেই সে বাংলাদেশে এসেছে।”

সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন বলেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়েছে। সে আমাদের এলাকায় বেড়াতে আসতে চেয়েছিল, তাই আমরা আসতে বলেছি। বন্ধু হিসেবে এসেছে, কয়েকদিন থাকার পর আবার নিজ দেশে ফিরে যাবে।”

জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর বলেন, “চীন থেকে একজন নাগরিক আমাদের এলাকায় বেড়াতে এসেছেন। ভাটোপাড়ার এক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন। কয়েকদিন ঘুরে আবার দেশে ফিরে যাবেন বলে জেনেছি।”

জনপ্রিয় খবর
blank

বন্ধুত্বের টানে বড়াইগ্রামে চীনা যুবক, একনজর দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

বন্ধুত্বের টানে বড়াইগ্রামে চীনা যুবক, একনজর দেখতে ভিড় স্থানীয়দের

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

মোবাইলের একটি অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়, এরপর গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্বের টানেই সুদূর চীন থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামে বেড়াতে এসেছেন চীনা নাগরিক সুবেশ। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তাকে একনজর দেখতে সাদিয়া খাতুনের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকার সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে ওঠেন সুবেশ। সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে ও স্কুলছাত্রী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বন্ধুত্বের একপর্যায়ে সুবেশ বাংলাদেশে এসে সাদিয়ার বাড়িতে বেড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করতে তিনি নিজের পাসপোর্ট ও ভিসার কপি সাদিয়ার কাছে পাঠান। প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস না করলেও পরে সাদিয়া তার বাবা-মাকে জানালে তারা সম্মতি দেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসার পথে সুবেশ বিষয়টি নিশ্চিত করলে সাদিয়ার পরিবারের সদস্যরা ঢাকার বিমানবন্দর থেকে তাকে রিসিভ করে নাটোরের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

সাদিয়া খাতুন বলেন, “একটি অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে বাংলাদেশে এসে আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। প্রথমে আমি বিশ্বাস করিনি। পরে সত্যিই সে ঢাকায় এলে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে আসেন। বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতেই সে বাংলাদেশে এসেছে।”

সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন বলেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়েছে। সে আমাদের এলাকায় বেড়াতে আসতে চেয়েছিল, তাই আমরা আসতে বলেছি। বন্ধু হিসেবে এসেছে, কয়েকদিন থাকার পর আবার নিজ দেশে ফিরে যাবে।”

জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর বলেন, “চীন থেকে একজন নাগরিক আমাদের এলাকায় বেড়াতে এসেছেন। ভাটোপাড়ার এক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন। কয়েকদিন ঘুরে আবার দেশে ফিরে যাবেন বলে জেনেছি।”