ঢাকা শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

blank

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভোজ্যতেল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির অপরাধে মো. খায়রুল ইসলাম (১৯) নামে এক অসাধু ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত খায়রুল ইসলাম ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামের আহসাব আলীর ছেলে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ওই অসাধু ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে অভিযান চালায় প্রশাসন। এ সময় সেখানে ভেজাল দুধ তৈরির দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত খায়রুল ইসলামকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে নকল দুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ২৪ লিটার ‘কোয়ালিটি’ ভোজ্যতেল ও ২টি ব্লেন্ডার মেশিন জব্দ করা হয়। এর মধ্যে জব্দকৃত ব্লেন্ডার মেশিন দুটি স্থানীয় একটি মাদরাসায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ লিটার তেলমিশ্রিত ভেজাল দুধ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি দল এ অভিযানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা প্রদান করে।

এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, “অসাধু উপায়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করা হচ্ছিল। জনস্বার্থ রক্ষায় আমাদের ভেজালবিরোধী এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”

blank

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেজাল দুধ ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

প্রকাশের সময় : ৮ মিনিট আগে
blank

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভোজ্যতেল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে নকল দুধ তৈরির অপরাধে মো. খায়রুল ইসলাম (১৯) নামে এক অসাধু ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত খায়রুল ইসলাম ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামের আহসাব আলীর ছেলে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ওই অসাধু ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে অভিযান চালায় প্রশাসন। এ সময় সেখানে ভেজাল দুধ তৈরির দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫০ ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত খায়রুল ইসলামকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে নকল দুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ২৪ লিটার ‘কোয়ালিটি’ ভোজ্যতেল ও ২টি ব্লেন্ডার মেশিন জব্দ করা হয়। এর মধ্যে জব্দকৃত ব্লেন্ডার মেশিন দুটি স্থানীয় একটি মাদরাসায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ লিটার তেলমিশ্রিত ভেজাল দুধ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের একটি দল এ অভিযানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা প্রদান করে।

এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, “অসাধু উপায়ে ভেজাল দুধ তৈরি করে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করা হচ্ছিল। জনস্বার্থ রক্ষায় আমাদের ভেজালবিরোধী এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”