ঢাকা শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে জোড়া বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন

blank

মধ্যপ্রাচ্য এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক আধিপত্য আরও মজবুত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ মোট ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই নজিরবিহীন সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কড়া অবরোধ আরোপের কাজ শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এসব যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেনারা ইতোমধ্যেই অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে, যার মধ্যে দুটি অভিযানই চালানো হয়েছে পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরের বুকে।

পেন্টাগনের তথ্যমতে, সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। ওই জাহাজটিতে করে ইরান থেকে তেল পরিবহন করা হচ্ছিল।

বর্তমানে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ১৯টি এবং ভারত মহাসাগরে ৭টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিচ্ছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল মার্কিন নৌবহরের বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত জাহাজ (১৯টি):

  • বিমানবাহী রণতরি (২টি): ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড।

  • ডেস্ট্রয়ার (১২টি): ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান।

  • কমব্যাট শিপ (২টি): ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা।

  • অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ (৩টি): ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর।

ভারত মহাসাগরে মোতায়েনকৃত জাহাজ (৭টি):

  • ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা।

ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই বিশাল উপস্থিতি মূলত ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখারই একটি সুস্পষ্ট বার্তা।

blank

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ভোটদান: ৯৩ শতাংশ ছুঁইছুঁই হার

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে জোড়া বিমানবাহী রণতরিসহ ২৬ মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
blank

মধ্যপ্রাচ্য এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক আধিপত্য আরও মজবুত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই অঞ্চলে বর্তমানে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ মোট ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই নজিরবিহীন সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে কড়া অবরোধ আরোপের কাজ শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এসব যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন সেনারা ইতোমধ্যেই অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে, যার মধ্যে দুটি অভিযানই চালানো হয়েছে পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরের বুকে।

পেন্টাগনের তথ্যমতে, সর্বশেষ বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। ওই জাহাজটিতে করে ইরান থেকে তেল পরিবহন করা হচ্ছিল।

বর্তমানে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ১৯টি এবং ভারত মহাসাগরে ৭টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিচ্ছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল মার্কিন নৌবহরের বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত জাহাজ (১৯টি):

  • বিমানবাহী রণতরি (২টি): ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড।

  • ডেস্ট্রয়ার (১২টি): ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মারফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান।

  • কমব্যাট শিপ (২টি): ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা।

  • অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ (৩টি): ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর।

ভারত মহাসাগরে মোতায়েনকৃত জাহাজ (৭টি):

  • ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা।

ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই বিশাল উপস্থিতি মূলত ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখারই একটি সুস্পষ্ট বার্তা।