দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২২ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যখাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি জানান।
সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালন পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল মূল্যায়নের পর পর্যায়ক্রমে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত এই ব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে এর সুফল পান এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়।
তিনি রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এটি যেন সহজে ব্যবহারযোগ্য, ব্যয়সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীসহ স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন ডেস্ক 


















