ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়াইগ্রামে নিষিদ্ধ ৮০টি চায়না রিং জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস

blank

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের কৈখোলা বিলে অভিযান চালিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত নিষিদ্ধ ৮০টি চায়না রিং জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। উদ্ধার করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। পরে সেগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সোমবার উপজেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারে জড়িত ব্যক্তিরা জাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় বিল থেকে জালগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার শেষে ঘটনাস্থলেই কেরোসিন ঢেলে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মুরাদ হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ চায়না রিং জাল ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ, মাছের পোনা ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী নির্বিচারে নিধন হয়। এতে দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ে।

প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং আইন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

blank

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৬ লাখ টাকার মাদক-চোরাচালানি পণ্য জব্দ

বড়াইগ্রামে নিষিদ্ধ ৮০টি চায়না রিং জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস

প্রকাশের সময় : ০৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
blank

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের কৈখোলা বিলে অভিযান চালিয়ে মাছ শিকারে ব্যবহৃত নিষিদ্ধ ৮০টি চায়না রিং জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। উদ্ধার করা জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা। পরে সেগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সোমবার উপজেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারে জড়িত ব্যক্তিরা জাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় বিল থেকে জালগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার শেষে ঘটনাস্থলেই কেরোসিন ঢেলে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মুরাদ হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ চায়না রিং জাল ব্যবহারের ফলে ছোট মাছ, মাছের পোনা ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী নির্বিচারে নিধন হয়। এতে দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ে।

প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং আইন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি স্থানীয় সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।