ঢাকা সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে কসাইখানা স্থাপন

blank

শহরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে একটি আধুনিক কসাইখানা স্থাপন করা হয়েছে। 

 

পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে নির্মিত এই কসাইখানার মাধ্যমে অবৈধভাবে পশু জবাই বন্ধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ তৈরি হবে।

 

পৌরসভা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরে উন্মুক্ত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। নতুন কসাইখানাটি চালু হলে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও বিধিমালা অনুসরণ করে পশু জবাই করা হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে শহরের পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি ভোক্তারা নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস পাবেন। পৌর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কসাইখানাটি চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং পৌর রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।

 

এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে কসাইখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে কসাইখানা স্থাপন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

শহরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নীলফামারী পৌরসভার উদ্যোগে একটি আধুনিক কসাইখানা স্থাপন করা হয়েছে। 

 

পৌর এলাকার নির্ধারিত স্থানে নির্মিত এই কসাইখানার মাধ্যমে অবৈধভাবে পশু জবাই বন্ধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ তৈরি হবে।

 

পৌরসভা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শহরে উন্মুক্ত স্থানে পশু জবাই ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। নতুন কসাইখানাটি চালু হলে নির্দিষ্ট সময়সূচি ও বিধিমালা অনুসরণ করে পশু জবাই করা হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এতে শহরের পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি ভোক্তারা নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস পাবেন। পৌর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, কসাইখানাটি চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে এবং পৌর রাজস্ব বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।

 

এ বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়, পর্যায়ক্রমে কসাইখানার ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।