ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে উত্তরের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

blank

উজানের ঢল এবং টানা বর্ষণের কারণে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলা এবং সিলেট-সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এছাড়া আগামী পাঁচ দিন ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীগুলোর পানিও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার কয়েকটি এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সিলেট অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার এবং মারকুলি পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে তা আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ওই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ১১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে ভারী বর্ষণের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানির উচ্চতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় খবর
blank

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারও প্রশ্নবিদ্ধ হবে: ডা. শফিকুর রহমান

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে উত্তরের পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
blank

উজানের ঢল এবং টানা বর্ষণের কারণে দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলা এবং সিলেট-সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এছাড়া আগামী পাঁচ দিন ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীগুলোর পানিও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার কয়েকটি এলাকায় নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, সিলেট অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার এবং মারকুলি পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে তা আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ওই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ১১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে ভারী বর্ষণের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানির উচ্চতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।