ঢাকা সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে এক মাস ধরে শূন্য পদ, চন্দ্রগঞ্জ ইউপিতে সেবা বন্ধের উপক্রম

blank

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের মৃত্যুর এক মাস পার হলেও এখনো প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। এতে পরিষদে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

গত ১৪ আগস্ট চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মারা যাওয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য রয়েছে। নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।

অভিযোগ রয়েছে, পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান করতে অন্যান্য ইউপি সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। এ কারণে অনেক সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান হতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। রাজনৈতিক চাপের কারণে বিএনপিপন্থি সদস্য আব্দুল হান্নানকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ইউপি সদস্য জানান, চেয়ারম্যানের পদ এক মাস ধরে শূন্য থাকায় ইউনিয়নবাসী পরিষদে এসে প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ এবং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন সম্পন্ন করা জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদ শূন্য হলে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের বিধান রয়েছে। তবে সাবেক তিন প্যানেল চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শিপন খলিফা, সালাহ উদ্দিন ও হাসিনা আক্তার কেউই বর্তমানে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। তাঁদের মধ্যে শিপন খলিফা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সালাহ উদ্দিন ও হাসিনা আক্তার আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তবে রাজনৈতিক চাপের কারণে তাঁরা দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক কি না, এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান বলেন, তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চান। প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফুল বারীসহ একটি বৈঠকে অন্যান্য ইউপি সদস্যরা তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে দায়িত্ব দেবেন বলে তিনি আশা করেন।

চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফুল বারী বলেন, একটি বৈঠকে আব্দুল হান্নানকে অন্য সদস্যরা সমর্থন দিয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ইউপি সদস্যদের সিদ্ধান্তের বিষয়।

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, প্রশাসক নিয়োগ ও প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন জেলা প্রশাসক করবেন। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করছেন তিনি।

blank

দর্শনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে এক মাস ধরে শূন্য পদ, চন্দ্রগঞ্জ ইউপিতে সেবা বন্ধের উপক্রম

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
blank

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের মৃত্যুর এক মাস পার হলেও এখনো প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান গঠন নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। এতে পরিষদে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

গত ১৪ আগস্ট চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মারা যাওয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য রয়েছে। নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।

অভিযোগ রয়েছে, পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নানকে প্যানেল চেয়ারম্যান করতে অন্যান্য ইউপি সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। এ কারণে অনেক সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান হতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। রাজনৈতিক চাপের কারণে বিএনপিপন্থি সদস্য আব্দুল হান্নানকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ইউপি সদস্য জানান, চেয়ারম্যানের পদ এক মাস ধরে শূন্য থাকায় ইউনিয়নবাসী পরিষদে এসে প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছেন না। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ এবং প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন সম্পন্ন করা জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান পদ শূন্য হলে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের বিধান রয়েছে। তবে সাবেক তিন প্যানেল চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শিপন খলিফা, সালাহ উদ্দিন ও হাসিনা আক্তার কেউই বর্তমানে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন। তাঁদের মধ্যে শিপন খলিফা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সালাহ উদ্দিন ও হাসিনা আক্তার আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তবে রাজনৈতিক চাপের কারণে তাঁরা দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক কি না, এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান বলেন, তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চান। প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফুল বারীসহ একটি বৈঠকে অন্যান্য ইউপি সদস্যরা তাঁকে সমর্থন জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে দায়িত্ব দেবেন বলে তিনি আশা করেন।

চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফুল বারী বলেন, একটি বৈঠকে আব্দুল হান্নানকে অন্য সদস্যরা সমর্থন দিয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ইউপি সদস্যদের সিদ্ধান্তের বিষয়।

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, প্রশাসক নিয়োগ ও প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন জেলা প্রশাসক করবেন। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করছেন তিনি।