ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসিকে মাটিতে মিশিয়ে দেব

blank

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বুধবার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও দেখা হচ্ছে দুই ফুটবল পরাশক্তির। এই মহারণের আগে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা জো কোল। তাঁর দাবি, সেমিফাইনালে লিওনেল মেসিকে কোনো সুযোগই দেবে না ইংলিশরা।

‘দ্য রেস্ট ইজ ফুটবল’ পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে জো কোল বলেন, সেমিফাইনালে মেসিকে একদম নিষ্ক্রিয় করে দিতে হবে। আমরা ওকে মাঠে কোনো প্রভাবই ফেলতে দেব না।”

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক ফুটবলার মিকা রিচার্ডস কোলের মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এভাবে বলা ঠিক নয়।” তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে কোল জবাব দেন, “আমি শতবারও এই কথাই বলব।”

শুধু মেসিকে থামানোর কথাই নয়, ফাইনালে ওঠার ব্যাপারেও দারুণ আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন কোল। তাঁর ভাষায়, “আমি এখনই বলে দিতে পারি, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। আমাদের দলে যে গতি ও শক্তি আছে, তা সামলানো আর্জেন্টিনার জন্য সহজ হবে না। ম্যাচে ওরা চাপে থাকবে।”

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক ওয়েন রুনিও আর্জেন্টিনার কিছু দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, লিওনেল মেসি সবসময় রক্ষণে নেমে দলকে সাহায্য করেন না, যা বড় ম্যাচে আর্জেন্টিনার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

রুনি বলেন, “আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করা সম্ভব। মেসি সাধারণত নিচে নেমে ডিফেন্সে সাহায্য করে না। কিন্তু বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে সবাইকে রক্ষণ ও আক্রমণ—দুই দায়িত্বই পালন করতে হয়। জুড বেলিংহ্যাম কিংবা হ্যারি কেইন সেটাই করে। ফলে আর্জেন্টিনা কখনও কখনও রক্ষণে সংখ্যাগতভাবে পিছিয়ে যেতে পারে।”

তবে মেসির সামর্থ্য নিয়েও সতর্ক করেছেন রুনি। তিনি বলেন, মেসি এমন একজন ফুটবলার, যে অল্প সুযোগ থেকেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ঠিক যেমনটা এই বিশ্বকাপে বেলিংহ্যাম করছে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তার আছে। তাই তাকে থামাতে হলে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডারদের সর্বোচ্চ মনোযোগী থাকতে হবে এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ঠিক রাখতে হবে। এক মুহূর্তের অসতর্কতাও মেসি কাজে লাগিয়ে দিতে পারে।”

বিশ্বকাপের এই বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনালে তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধও শুরু হয়ে গেছে। ইংল্যান্ডের সাবেক তারকারা আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হলেও, তাদের মূল লক্ষ্য একটাই—লিওনেল মেসিকে থামিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা।

জনপ্রিয় খবর
blank

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি নৌ শাখা পরিদর্শনে ৫৩ বিএনসিসি খুলনা ফ্লোটিলার অধিনায়ক

মেসিকে মাটিতে মিশিয়ে দেব

প্রকাশের সময় : ০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
blank

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বুধবার মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও দেখা হচ্ছে দুই ফুটবল পরাশক্তির। এই মহারণের আগে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা জো কোল। তাঁর দাবি, সেমিফাইনালে লিওনেল মেসিকে কোনো সুযোগই দেবে না ইংলিশরা।

‘দ্য রেস্ট ইজ ফুটবল’ পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে জো কোল বলেন, সেমিফাইনালে মেসিকে একদম নিষ্ক্রিয় করে দিতে হবে। আমরা ওকে মাঠে কোনো প্রভাবই ফেলতে দেব না।”

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক ফুটবলার মিকা রিচার্ডস কোলের মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এভাবে বলা ঠিক নয়।” তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকে কোল জবাব দেন, “আমি শতবারও এই কথাই বলব।”

শুধু মেসিকে থামানোর কথাই নয়, ফাইনালে ওঠার ব্যাপারেও দারুণ আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন কোল। তাঁর ভাষায়, “আমি এখনই বলে দিতে পারি, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে। আমাদের দলে যে গতি ও শক্তি আছে, তা সামলানো আর্জেন্টিনার জন্য সহজ হবে না। ম্যাচে ওরা চাপে থাকবে।”

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের আরেক সাবেক অধিনায়ক ওয়েন রুনিও আর্জেন্টিনার কিছু দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, লিওনেল মেসি সবসময় রক্ষণে নেমে দলকে সাহায্য করেন না, যা বড় ম্যাচে আর্জেন্টিনার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

রুনি বলেন, “আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করা সম্ভব। মেসি সাধারণত নিচে নেমে ডিফেন্সে সাহায্য করে না। কিন্তু বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে সবাইকে রক্ষণ ও আক্রমণ—দুই দায়িত্বই পালন করতে হয়। জুড বেলিংহ্যাম কিংবা হ্যারি কেইন সেটাই করে। ফলে আর্জেন্টিনা কখনও কখনও রক্ষণে সংখ্যাগতভাবে পিছিয়ে যেতে পারে।”

তবে মেসির সামর্থ্য নিয়েও সতর্ক করেছেন রুনি। তিনি বলেন, মেসি এমন একজন ফুটবলার, যে অল্প সুযোগ থেকেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ঠিক যেমনটা এই বিশ্বকাপে বেলিংহ্যাম করছে। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তার আছে। তাই তাকে থামাতে হলে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডারদের সর্বোচ্চ মনোযোগী থাকতে হবে এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ঠিক রাখতে হবে। এক মুহূর্তের অসতর্কতাও মেসি কাজে লাগিয়ে দিতে পারে।”

বিশ্বকাপের এই বহুল প্রতীক্ষিত সেমিফাইনালে তাই মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধও শুরু হয়ে গেছে। ইংল্যান্ডের সাবেক তারকারা আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হলেও, তাদের মূল লক্ষ্য একটাই—লিওনেল মেসিকে থামিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করা।