ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে ফলের বাজারে আগুন, দামে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের

blank

চাটমোহরের বিভিন্ন হাট–বাজারে তরমুজের আমদানি শুরু হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারদের ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় ফল তরমুজ হলেও, দাম শুনেই অনেক ক্রেতা পিছিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে।

শুধু তরমুজ নয়, কলা, খেজুর, আপেল, কমলা, ড্রাগনসহ প্রায় সব ধরনের ফলের দামই ঊর্ধ্বমুখী। ছোট আকারের কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, আর মাঝারি সাইজের কলার হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারজুড়ে অপরিপক্ক কলার আধিক্য দেখা যাচ্ছে, যা কেমিক্যাল ব্যবহার করে পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খেজুরের বাজারেও একই চিত্র। নিম্নমানের খেজুর কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ভালো মানের খেজুরের দাম কেজিতে ৬০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার বস্তায় রাখা নিম্নমানের খেজুর ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্রেতারা।

এদিকে আনারস বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়, আর ড্রাগন ফলের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। অন্যান্য ফলের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

বাজারে কোথাও মূল্যতালিকা টাঙানো নেই। ফলে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। তাদের দাবি, সরকারি তদারকির অভাবে রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যার ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

blank

বিশ্ব বদলানো ১০০ মুখ: প্রকাশ পেল ‘টাইম ১০০’ তালিকা

চাটমোহরে ফলের বাজারে আগুন, দামে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের

প্রকাশের সময় : ০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
blank

চাটমোহরের বিভিন্ন হাট–বাজারে তরমুজের আমদানি শুরু হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারদের ইফতারের অন্যতম জনপ্রিয় ফল তরমুজ হলেও, দাম শুনেই অনেক ক্রেতা পিছিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে।

শুধু তরমুজ নয়, কলা, খেজুর, আপেল, কমলা, ড্রাগনসহ প্রায় সব ধরনের ফলের দামই ঊর্ধ্বমুখী। ছোট আকারের কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, আর মাঝারি সাইজের কলার হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারজুড়ে অপরিপক্ক কলার আধিক্য দেখা যাচ্ছে, যা কেমিক্যাল ব্যবহার করে পাকানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খেজুরের বাজারেও একই চিত্র। নিম্নমানের খেজুর কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। ভালো মানের খেজুরের দাম কেজিতে ৬০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার বস্তায় রাখা নিম্নমানের খেজুর ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্রেতারা।

এদিকে আনারস বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়, আর ড্রাগন ফলের দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। অন্যান্য ফলের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

বাজারে কোথাও মূল্যতালিকা টাঙানো নেই। ফলে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। তাদের দাবি, সরকারি তদারকির অভাবে রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যার ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।