ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা কলেজে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

blank

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ঢাকা কলেজে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় কলেজের মূল ফটকে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন নর্থ বেঙ্গল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচিতে মশাল মিছিলের পূর্বে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে রক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাও-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ও ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কামাল আহমেদ আনোয়ার। এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নাশিদ আলম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হোসেন, সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেনসহ ঢাকা কলেজস্থ উত্তবঙ্গের জেলাসমূহের সভাপতি এবং রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভ সমাবেশ পরবর্তী মশাল ঢাকা কলেজের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে সাইন্সল্যাবে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এ সময় মশাল মিছিলে তিস্তা নিয়ে টালবাহনা চলবে না, চলবে না; তিস্তা নিয়ে কান্না, আর না আর না, জাগো বাহে, তিস্তা বাচাও ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হাসান বলেন, উত্তরবঙ্গকে দেশের থেকে আলাদা করে দেখার কিছু নেই। তিস্তা দেশের সকলের জন্য প্রয়োজন। উত্তরবঙ্গের কৃষকের ফসল সারা বাংলাদেশ ভোগ করে। তাই আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাধীন নদী বন্টন চুক্তি মেনে তিস্তা নদীর পানির সুষ্টু বন্টন সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাও-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী কামাল আহমেদ আনোয়ার বলেন, চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আর বাংলাদেশের দুঃখ তিস্তা। উত্তরবঙ্গের মানুষের বৈষম্য দেখলে চোখে কান্না এসে যায়। এই বৈষম্যের অবসান হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর বড় বড় কথা বলেছে কিন্তু কোন সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া নেয়নি। তিস্তা সারা বাংলাদেশের সমস্যা। সরকার যদি আগামী নভেম্বরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করে তাহলে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে আগামীতে সারা ঢাকায় আমরা মশাল মিছিল করবো।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি বলেন, তিস্তা পাড়ের মানুষ কষ্ট পাবে আমরা তা মেনে নেব না। প্রয়োজনে যমুনা অভিমুখে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। উত্তরবঙ্গের আড়াই কোটি মানুষ পানি পাবে না শুধু ব্যাপারটা এমন নয়, তিস্তা সংকটে সারা বাংলাদেশের মানুষ পানি পাইনা। ভারতের কাছে অনুরোধ সাধারণ মানুষকে হত্যা করবেন না।

জনপ্রিয় খবর
blank

পত্নীতলায় র‍্যাবের অভিযানে ১৪২ লিটার চোলাই মদসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা কলেজে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশের সময় : ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
blank

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে ঢাকা কলেজে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় কলেজের মূল ফটকে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন নর্থ বেঙ্গল স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচিতে মশাল মিছিলের পূর্বে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে রক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাও-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী ও ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কামাল আহমেদ আনোয়ার। এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নাশিদ আলম, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হোসেন, সদস্য সচিব মিল্লাদ হোসেনসহ ঢাকা কলেজস্থ উত্তবঙ্গের জেলাসমূহের সভাপতি এবং রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভ সমাবেশ পরবর্তী মশাল ঢাকা কলেজের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে সাইন্সল্যাবে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এ সময় মশাল মিছিলে তিস্তা নিয়ে টালবাহনা চলবে না, চলবে না; তিস্তা নিয়ে কান্না, আর না আর না, জাগো বাহে, তিস্তা বাচাও ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হাসান বলেন, উত্তরবঙ্গকে দেশের থেকে আলাদা করে দেখার কিছু নেই। তিস্তা দেশের সকলের জন্য প্রয়োজন। উত্তরবঙ্গের কৃষকের ফসল সারা বাংলাদেশ ভোগ করে। তাই আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাধীন নদী বন্টন চুক্তি মেনে তিস্তা নদীর পানির সুষ্টু বন্টন সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাও-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী কামাল আহমেদ আনোয়ার বলেন, চীনের দুঃখ হোয়াংহো, আর বাংলাদেশের দুঃখ তিস্তা। উত্তরবঙ্গের মানুষের বৈষম্য দেখলে চোখে কান্না এসে যায়। এই বৈষম্যের অবসান হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর বড় বড় কথা বলেছে কিন্তু কোন সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া নেয়নি। তিস্তা সারা বাংলাদেশের সমস্যা। সরকার যদি আগামী নভেম্বরের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করে তাহলে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে আগামীতে সারা ঢাকায় আমরা মশাল মিছিল করবো।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি বলেন, তিস্তা পাড়ের মানুষ কষ্ট পাবে আমরা তা মেনে নেব না। প্রয়োজনে যমুনা অভিমুখে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। উত্তরবঙ্গের আড়াই কোটি মানুষ পানি পাবে না শুধু ব্যাপারটা এমন নয়, তিস্তা সংকটে সারা বাংলাদেশের মানুষ পানি পাইনা। ভারতের কাছে অনুরোধ সাধারণ মানুষকে হত্যা করবেন না।