ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে, মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর

blank

রাজধানীর সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছেন স্থানীয়রা। এ সময় শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে জনতার ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুল বারী (৫০)। তিনি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থী বুধবার বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাসস্থান রয়েছে। এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের অভিযোগও ওঠে।

খবর পেয়ে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে না থাকলেও তার স্ত্রী ও ছেলে সেখানে ছিলেন। পুলিশ তাদের নিরাপদে সরিয়ে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিলে স্থানীয়রা ভবনটিতে ভাঙচুর শুরু করেন। এতে পুলিশসহ ভবনের ভেতরে থাকা অন্য ব্যক্তিরা আটকা পড়েন। পরে সাভার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তাদের থানায় নেওয়ার পর স্থানীয়রা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন করা হয়।

জনপ্রিয় খবর
blank

সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়িতে ফিরলেন পর্যটকেরা

সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে, মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
blank

রাজধানীর সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছেন স্থানীয়রা। এ সময় শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে জনতার ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুল বারী (৫০)। তিনি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থী বুধবার বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাসস্থান রয়েছে। এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুটের অভিযোগও ওঠে।

খবর পেয়ে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে না থাকলেও তার স্ত্রী ও ছেলে সেখানে ছিলেন। পুলিশ তাদের নিরাপদে সরিয়ে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিলে স্থানীয়রা ভবনটিতে ভাঙচুর শুরু করেন। এতে পুলিশসহ ভবনের ভেতরে থাকা অন্য ব্যক্তিরা আটকা পড়েন। পরে সাভার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তাদের থানায় নেওয়ার পর স্থানীয়রা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন করা হয়।