ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

blank

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের নদীবেষ্টিত চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় জহির ফকির নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকির প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে মেঘনা নদীবেষ্টিত শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা এলাকায় ওষুধের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বসবাস করতেন।

বুধবার রাতে ফার্মেসির কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তাকে কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ববিরোধ কিংবা ছিনতাইকারী চক্রের সংশ্লিষ্টতা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ওসি আব্দুল বারিক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য বিরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে ৪ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে
blank

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের নদীবেষ্টিত চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় জহির ফকির নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, জহির ফকির প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে মেঘনা নদীবেষ্টিত শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা এলাকায় ওষুধের দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় বসবাস করতেন।

বুধবার রাতে ফার্মেসির কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তাকে কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ববিরোধ কিংবা ছিনতাইকারী চক্রের সংশ্লিষ্টতা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ওসি আব্দুল বারিক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সম্ভাব্য বিরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।