চলতি ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রাজস্ব অর্জনের পথে রয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটি এবার প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করতে যাচ্ছে, যা টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নির্ধারিত ১১ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।
শনিবার (১৮ জুলাই) সদস্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সঙ্গে বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সম্ভাব্য এই রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বাড়তি আয়ের বড় অংশ এসেছে হসপিটালিটি প্যাকেজ এবং টিকিট বিক্রি থেকে। বিশেষ করে সেকেন্ডারি বা পুনঃবিক্রয় বাজারে টিকিট লেনদেন থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আয় করেছে ফিফা। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা—উভয় পক্ষের কাছ থেকেই নির্দিষ্ট হারে ফি নেওয়া হয়েছে, যা মোট রাজস্ব বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অতিরিক্ত আয় ভবিষ্যতে সদস্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে রেকর্ড রাজস্ব ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর অবস্থানও আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা সভাপতির নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে অধিকাংশ সদস্য দেশের সমর্থন পেয়েছেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, বাড়তি আর্থিক সহায়তার সম্ভাবনা থাকায় অনেক সদস্য অ্যাসোসিয়েশন প্রকাশ্যে সমালোচনা থেকে বিরত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, এই আর্থিক সাফল্য ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে আরও একটি বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দিতে পারে। ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন বিড আহ্বান করা হবে। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া, ২০২৯ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও ফিফা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

অনলাইন ডেস্ক 


















