ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিট আন্দোলনে পুলিশি বলপ্রয়োগ: ৪ সপ্তাহে কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশের জবাব তলব আদালতের

blank

শিক্ষায় দুর্নীতি ও নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত সংসদ অভিযান ঘিরে পুলিশের ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’-এর অভিযোগের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশের কাছে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিওগ্রাফি ও অন্যান্য প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

গত ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ ভবন অভিযানের কর্মসূচি দেয়। যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে এবং লাঠিচার্জ চালায়।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দাখিলের নির্দেশ দেয়। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর।

মামলাকারীদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা দাবি করেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারী ও শিক্ষার্থীদের ওপরও লাঠিচার্জ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, কিছু পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে অভিযান পরিচালনা করেন এবং ব্যবহৃত কিছু লাঠিতে পেরেক লাগানো ছিল। এছাড়া দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত ডিসি সন্দীপ লাম্বার বিরুদ্ধে এক নারী আন্দোলনকারীকে বিনা উসকানিতে চড় মারার অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, কেউ আহত হয়ে থাকলে ব্যক্তিগতভাবে পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। তবে আদালত এ যুক্তি গ্রহণ করেনি। প্রধান বিচারপতি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; বরং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়। তাই পৃথকভাবে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ এখানে প্রযোজ্য নয়।

এদিকে, অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা পৃথক একটি মামলা বুধবার খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত জানায়, একই বিষয়ে তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা মামলার ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ায় নতুন করে এ মামলার শুনানির প্রয়োজন নেই।

জনপ্রিয় খবর
blank

ড্রিলবিট রেখে সেলাইয়ের সংবাদ ‘তথ্য বিভ্রাট’: সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহেদুলের প্রতিবাদ

নিট আন্দোলনে পুলিশি বলপ্রয়োগ: ৪ সপ্তাহে কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশের জবাব তলব আদালতের

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
blank

শিক্ষায় দুর্নীতি ও নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত সংসদ অভিযান ঘিরে পুলিশের ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’-এর অভিযোগের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশের কাছে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিওগ্রাফি ও অন্যান্য প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

গত ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সংসদ ভবন অভিযানের কর্মসূচি দেয়। যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে হাজারো শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, নিট প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে এবং লাঠিচার্জ চালায়।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ কেন্দ্র ও দিল্লি পুলিশকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দাখিলের নির্দেশ দেয়। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর।

মামলাকারীদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত আইনজীবীরা দাবি করেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারী ও শিক্ষার্থীদের ওপরও লাঠিচার্জ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়, কিছু পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে অভিযান পরিচালনা করেন এবং ব্যবহৃত কিছু লাঠিতে পেরেক লাগানো ছিল। এছাড়া দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত ডিসি সন্দীপ লাম্বার বিরুদ্ধে এক নারী আন্দোলনকারীকে বিনা উসকানিতে চড় মারার অভিযোগও আদালতের নজরে আনা হয়।

অন্যদিকে, কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, কেউ আহত হয়ে থাকলে ব্যক্তিগতভাবে পুলিশ বা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। তবে আদালত এ যুক্তি গ্রহণ করেনি। প্রধান বিচারপতি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা নয়; বরং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়। তাই পৃথকভাবে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ এখানে প্রযোজ্য নয়।

এদিকে, অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা পৃথক একটি মামলা বুধবার খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত জানায়, একই বিষয়ে তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা মামলার ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ায় নতুন করে এ মামলার শুনানির প্রয়োজন নেই।