দেশে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ খাদ্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫৫ লাখ নিম্ন আয়ের পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজারে খাদ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থানের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তা দিতে গত ১ আগস্ট থেকে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, মার্চ ও এপ্রিল—এই ছয় মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন। প্রতি কেজি চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা।
এ ছাড়া পুষ্টিহীনতা দূর করতে ২৪৮টি উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে পুষ্টিচাল বিতরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২৪৭টি উপজেলায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগীর কাছে সাধারণ চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।
খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ১ হাজার ১০৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে নিয়মিত চাল ও আটা বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট খাদ্য মজুতের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে রয়েছে ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন গম এবং ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন ধান (চালে রূপান্তরিত হিসাব অনুযায়ী)।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, দেশের ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ খাদ্য মজুত। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপুষ্টি কমানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও কার্যকর ও সম্প্রসারণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক 















