ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলাবদ্ধতা নিরসনে গলাপানিতে নেমে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি

blank

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানিতে নেমে পঙ্গুয়াই খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করেছেন ময়মনসিংহ-২ আসনের ১১–দলীয় জোটের সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ।

আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কাকনী ইউনিয়নের পঙ্গুয়াই খালে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। এমপিকে পানিতে নেমে কাজ করতে দেখে এলাকার শতাধিক মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় সাত–আট বছর ধরে কাকনী খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ থাকায় পঙ্গুয়াই খালে কচুরিপানা জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুয়াই, বরুয়াই, তিলাটিয়া, পারতলা, দন্তা, তিতপুর, সুতিয়াপয়ারী, মাটিচাপুর ও কাকনী গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার দুর্ভোগে পড়ে।

স্থানীয় এনামুল হক বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে শত শত একর ফসলি জমি পানির নিচে থাকত। খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করায় এখন পানি নামতে শুরু করেছে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে কাকনী বিলের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে।

সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ বলেন, খালগুলো একসময় কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণ ছিল। বেদখল, ভরাট ও কচুরিপানার কারণে সেগুলো নাব্যতা হারিয়েছে। স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খাল সচল করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও ঘোষণা দেন, খালের শেষ প্রান্তে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির কারণে যে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সেই জমি কিনে নেবেন। এরপর খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে কাকনী বিলের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় খবর
blank

কুড়িগ্রামে পবিত্র ১২ই রবিউল আউয়াল উপলক্ষে সীরাত সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী

জলাবদ্ধতা নিরসনে গলাপানিতে নেমে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি

প্রকাশের সময় : ৪৯ মিনিট আগে
blank

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানিতে নেমে পঙ্গুয়াই খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করেছেন ময়মনসিংহ-২ আসনের ১১–দলীয় জোটের সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ।

আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কাকনী ইউনিয়নের পঙ্গুয়াই খালে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। এমপিকে পানিতে নেমে কাজ করতে দেখে এলাকার শতাধিক মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় সাত–আট বছর ধরে কাকনী খালের পানিপ্রবাহ বন্ধ থাকায় পঙ্গুয়াই খালে কচুরিপানা জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুয়াই, বরুয়াই, তিলাটিয়া, পারতলা, দন্তা, তিতপুর, সুতিয়াপয়ারী, মাটিচাপুর ও কাকনী গ্রামের প্রায় দুই হাজার পরিবার দুর্ভোগে পড়ে।

স্থানীয় এনামুল হক বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে শত শত একর ফসলি জমি পানির নিচে থাকত। খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করায় এখন পানি নামতে শুরু করেছে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে কাকনী বিলের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে।

সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ বলেন, খালগুলো একসময় কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণ ছিল। বেদখল, ভরাট ও কচুরিপানার কারণে সেগুলো নাব্যতা হারিয়েছে। স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খাল সচল করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও ঘোষণা দেন, খালের শেষ প্রান্তে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির কারণে যে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সেই জমি কিনে নেবেন। এরপর খালটি কাকনী ব্রিজ পর্যন্ত খনন করে কাকনী বিলের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।