ঢাকা বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে লাখো মানুষের সমাগম, উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

blank

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম নগরী। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর থেকেই হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে মুখর ছিল বিভিন্ন এলাকা। সকাল থেকে নগরের ষোলশহরে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ষোলশহর এলাকায় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে বের হয় ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। এতে নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস আয়োজনের ধারাবাহিকতা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজন হয়ে আসছে। এবার ছিল এর ৫৬তম আয়োজন।

জুলুসে নেতৃত্ব দেন আওলাদে রাসুল (সা.) সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাজিআ)। এতে অতিথি ছিলেন শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও সৈয়দ মুহাম্মদ আকিন আহমদ শাহ।

ভোর থেকেই নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ জামেয়া মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। কেউ হেঁটে, আবার কেউ ট্রাক ও পিকআপে করে জুলুসে অংশ নেন। বিভিন্ন সড়কের পাশে পানি, শরবত ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।

জশনে জুলুসকে ঘিরে এক মাস ধরে নগরের বিভিন্ন এলাকা পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়। আয়োজনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়।

সকাল ১০টায় ষোলশহর জামেয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে জুলুস শুরু হয়। এটি বিবিরহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা মোড়, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে একই পথে ফিরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পীর আল্লামা সাবির শাহ বলেন, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ করা কোরআন ও হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। তিনি বলেন, জশনে জুলুসে কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (সা.) পাঠ ও রাসুলের সীরাত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ও গাউসিয়া কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে লাখো মানুষের সমাগম, উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

প্রকাশের সময় : ৫০ মিনিট আগে
blank

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম নগরী। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর থেকেই হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে মুখর ছিল বিভিন্ন এলাকা। সকাল থেকে নগরের ষোলশহরে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ষোলশহর এলাকায় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে বের হয় ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। এতে নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস আয়োজনের ধারাবাহিকতা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় এ আয়োজন হয়ে আসছে। এবার ছিল এর ৫৬তম আয়োজন।

জুলুসে নেতৃত্ব দেন আওলাদে রাসুল (সা.) সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাজিআ)। এতে অতিথি ছিলেন শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও সৈয়দ মুহাম্মদ আকিন আহমদ শাহ।

ভোর থেকেই নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ জামেয়া মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে থাকেন। কেউ হেঁটে, আবার কেউ ট্রাক ও পিকআপে করে জুলুসে অংশ নেন। বিভিন্ন সড়কের পাশে পানি, শরবত ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।

জশনে জুলুসকে ঘিরে এক মাস ধরে নগরের বিভিন্ন এলাকা পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুনে সাজানো হয়। আয়োজনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়।

সকাল ১০টায় ষোলশহর জামেয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে জুলুস শুরু হয়। এটি বিবিরহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি, ওয়াসা মোড়, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে একই পথে ফিরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পীর আল্লামা সাবির শাহ বলেন, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ করা কোরআন ও হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। তিনি বলেন, জশনে জুলুসে কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (সা.) পাঠ ও রাসুলের সীরাত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ও গাউসিয়া কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।