ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাটমোহরে হত্যা মামলায় নিরীহদের হয়রানির অভিযোগ, মানববন্ধন

blank

পাবনার চাটমোহরে হত্যা মামলায় গ্রামের নিরীহ মানুষকে আসামি করে হয়রানির প্রতিবাদে এবং মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সজনাই গ্রামবাসীর উদ্যোগে গ্রামের পাকা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আব্দুল আলীম, আব্দুল আজিজ, মানিক মিয়া, কামরুল হাসান বর্ষণ, শান্তা খাতুন, খাদিজা পারভীনসহ স্থানীয়রা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল বারেক ওরফে বাকি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি রবি ও তার স্ত্রী রেশমা ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে একই মামলায় জাকির, মতিন, মাহমুদ, উজ্জল, আওয়াল, মোস্তব, দেলোয়ারসহ গ্রামের আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের দাবি, ঘটনার সময় এসব ব্যক্তি ঘটনাস্থলে ছিলেন না; কেউ কেউ নিজ নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। এরপরও মামলায় তাদের আসামি করায় তারা গ্রেপ্তারের ভয়ে পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ করে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিরীহ বা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন কাউকে পুলিশ হয়রানি করবে না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট সজনাই গ্রামের সোবাহান আলীর ছেলে আব্দুল বারেক ওরফে বাকি বাড়ির পাশের একটি পুকুরে পাঁঠা ছাগলকে গোসল করাতে নিয়ে গেলে প্রতিবেশী জাহের মোল্লার ছেলে রবিউল ইসলাম রবি তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রবি ও তার স্ত্রী রেশমা বাকিকে মারধর করেন। এ সময় বাঁশ ও কাঠের বাটাম দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে তাকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আব্দুল বারেক মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের চাচা ওয়াহাব প্রামাণিক বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রবি ও তার স্ত্রী রেশমাসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়। পরে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে র‌্যাবের অভিযানে মামলার প্রধান দুই আসামি রবি ও রেশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

blank

পাবনায় শিশু কলি হত্যা: মূলহোতা গ্রেপ্তার, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

চাটমোহরে হত্যা মামলায় নিরীহদের হয়রানির অভিযোগ, মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে
blank

পাবনার চাটমোহরে হত্যা মামলায় গ্রামের নিরীহ মানুষকে আসামি করে হয়রানির প্রতিবাদে এবং মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সজনাই গ্রামবাসীর উদ্যোগে গ্রামের পাকা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আব্দুল আলীম, আব্দুল আজিজ, মানিক মিয়া, কামরুল হাসান বর্ষণ, শান্তা খাতুন, খাদিজা পারভীনসহ স্থানীয়রা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল বারেক ওরফে বাকি হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি রবি ও তার স্ত্রী রেশমা ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে একই মামলায় জাকির, মতিন, মাহমুদ, উজ্জল, আওয়াল, মোস্তব, দেলোয়ারসহ গ্রামের আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের দাবি, ঘটনার সময় এসব ব্যক্তি ঘটনাস্থলে ছিলেন না; কেউ কেউ নিজ নিজ কর্মস্থলে ছিলেন। এরপরও মামলায় তাদের আসামি করায় তারা গ্রেপ্তারের ভয়ে পরিবার-পরিজন ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ করে মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিরীহ বা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন কাউকে পুলিশ হয়রানি করবে না।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট সজনাই গ্রামের সোবাহান আলীর ছেলে আব্দুল বারেক ওরফে বাকি বাড়ির পাশের একটি পুকুরে পাঁঠা ছাগলকে গোসল করাতে নিয়ে গেলে প্রতিবেশী জাহের মোল্লার ছেলে রবিউল ইসলাম রবি তাতে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রবি ও তার স্ত্রী রেশমা বাকিকে মারধর করেন। এ সময় বাঁশ ও কাঠের বাটাম দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে তাকে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আব্দুল বারেক মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের চাচা ওয়াহাব প্রামাণিক বাদী হয়ে চাটমোহর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রবি ও তার স্ত্রী রেশমাসহ ১০ জনকে আসামি করা হয়। পরে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে র‌্যাবের অভিযানে মামলার প্রধান দুই আসামি রবি ও রেশমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।