ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসআই আলতাফ হত্যা: ১৫ আসামিকে ধরতে নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

blank

অটোরিকশা রাখা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে নিজের ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েও রক্ষা পাননি তিনি। দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার ছোট ছেলেও।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যরা সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রী মামলার ১৫ আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের কল্যাণে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে পরিবারকে ৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পরিবারের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলতাফ হোসেনের দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মামলার এজাহার ও সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় অটোরিকশা রাখা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে এসআই আলতাফ হোসেনের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হামলার আশঙ্কায় তিনি বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন।

এর কিছুক্ষণ পর রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিতে হামলা চালায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

blank

হাফেজদের সাফল্যে গর্বিত বাংলাদেশ, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

এসআই আলতাফ হত্যা: ১৫ আসামিকে ধরতে নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ৫৮ মিনিট আগে
blank

অটোরিকশা রাখা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলতাফ হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে নিজের ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েও রক্ষা পাননি তিনি। দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার ছোট ছেলেও।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যরা সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রী মামলার ১৫ আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিহত পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের কল্যাণে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের কল্যাণ তহবিল থেকে পরিবারকে ৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। পরিবারের পারিবারিক ব্যবসা সচল রাখতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ঋণসহ সার্বিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলতাফ হোসেনের দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মরণোত্তর পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মামলার এজাহার ও সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় অটোরিকশা রাখা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে এসআই আলতাফ হোসেনের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হামলার আশঙ্কায় তিনি বড় ছেলে মো. শরিফুল ইসলামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন।

এর কিছুক্ষণ পর রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটিতে হামলা চালায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে ছোট ছেলে মো. আরিফুল ইসলামও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।