ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

blank

ফরিদপুরের মধুখালীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হাফিজার শেখ (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন হাফিজার শেখ। ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট সকালে কৌশলে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে তিনি ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের জানালেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় ভুক্তভোগী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর তিনি মধুখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ তোফাজ্জল হোসেন আদালতে হাফিজার শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য ও প্রমাণ গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

blank

পত্নীতলার পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ১১

পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শ্বশুরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ৫১ মিনিট আগে
blank

ফরিদপুরের মধুখালীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হাফিজার শেখ (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন হাফিজার শেখ। ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট সকালে কৌশলে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে তিনি ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের জানালেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় ভুক্তভোগী বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর তিনি মধুখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ তোফাজ্জল হোসেন আদালতে হাফিজার শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য ও প্রমাণ গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।