ঢাকা শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

blank

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামেও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারা দেশের সঙ্গে কুড়িগ্রামেও এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি, নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি, নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি ও নিজের দেশকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করি। আমরা যদি সপ্তাহে একদিন নিজের থাকার জায়গা ও তার চারপাশ পরিষ্কার করি তাহলে দ্রুততার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হতে পারবো। যারা আবর্জনা তৈরি করবে, ময়লা ফেলবে আমরা তাদের নিরুৎসাহিত করি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে দেশকে কীভাবে পরিবর্তন করতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল সহ একটি সুস্থ জাতি গঠন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান৷

এ উপলক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি এর উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ বিএনসিসি ইউনিটের প্লাটুন কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ সহ বিএনসিসি সদস্য, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

কর্মসূচির আওতায় এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস, জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া হয়।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী এ অভিযান চলবে। প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিজ নিজ বাড়িঘর, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

blank

রামগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ৪৩ মিনিট আগে
blank

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ এর অংশ হিসেবে কুড়িগ্রামেও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারা দেশের সঙ্গে কুড়িগ্রামেও এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি, নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি, নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি ও নিজের দেশকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করি। আমরা যদি সপ্তাহে একদিন নিজের থাকার জায়গা ও তার চারপাশ পরিষ্কার করি তাহলে দ্রুততার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হতে পারবো। যারা আবর্জনা তৈরি করবে, ময়লা ফেলবে আমরা তাদের নিরুৎসাহিত করি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে দেশকে কীভাবে পরিবর্তন করতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান সফল সহ একটি সুস্থ জাতি গঠন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান৷

এ উপলক্ষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি এর উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ বিএনসিসি ইউনিটের প্লাটুন কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ সহ বিএনসিসি সদস্য, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকরা।

কর্মসূচির আওতায় এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস, জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া হয়।

সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী এ অভিযান চলবে। প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিজ নিজ বাড়িঘর, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।