ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে পুড়ল ১১ বসতঘর, পেট্রল দিয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 15
blank

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার পর তা মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন আশহক ব্যাপারীবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরগুলোর আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। অভিযুক্ত সোহেলের নিজের ঘরও আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয়দের মারধরে আহত হয়ে তিনি বর্তমানে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ভোরে সোহেলের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। তাদের অভিযোগ, তিনি পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। পরে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে একে একে আশপাশের বসতঘরগুলোও পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ছিদ্দিক উল্যাহ বলেন, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি। ঘরে থাকা টাকা-পয়সা, চালসহ সবকিছু পুড়ে গেছে।

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা আহসান উল্লাহ বলেন, পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই বের করতে পারেননি তারা। আগুনে ঘরের টাকা, আসবাবপত্র ও কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন কোথায় থাকবেন, কীভাবে আবার ঘর তৈরি করবেন—তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

খবর পেয়ে রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও লক্ষ্মীপুরের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম শাহজালাল কিসমত দাবি করেন, সোহেল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি পেট্রল দিয়ে নিজের ঘরে আগুন দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সৈয়দ আহমেদ বলেন, পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো টিনের তৈরি। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডে ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের মারধরের পর সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগুনে পুড়ল ১১ বসতঘর, পেট্রল দিয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেওয়ার পর তা মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারসংলগ্ন আশহক ব্যাপারীবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরগুলোর আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে গেছে। অভিযুক্ত সোহেলের নিজের ঘরও আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয়দের মারধরে আহত হয়ে তিনি বর্তমানে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ভোরে সোহেলের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। তাদের অভিযোগ, তিনি পেট্রল ছিটিয়ে নিজের ঘরে আগুন দেন। পরে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে একে একে আশপাশের বসতঘরগুলোও পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ছিদ্দিক উল্যাহ বলেন, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি। ঘরে থাকা টাকা-পয়সা, চালসহ সবকিছু পুড়ে গেছে।

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা আহসান উল্লাহ বলেন, পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই বের করতে পারেননি তারা। আগুনে ঘরের টাকা, আসবাবপত্র ও কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন কোথায় থাকবেন, কীভাবে আবার ঘর তৈরি করবেন—তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

খবর পেয়ে রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও লক্ষ্মীপুরের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বি এম শাহজালাল কিসমত দাবি করেন, সোহেল নিয়মিত মাদক সেবন করেন। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি পেট্রল দিয়ে নিজের ঘরে আগুন দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ সৈয়দ আহমেদ বলেন, পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো টিনের তৈরি। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রায়পুর থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডে ১১টি ঘর পুড়ে গেছে। স্থানীয়দের মারধরের পর সোহেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।