ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর যে পদক্ষেপ নিল ভারত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 44
blank

পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই লাদাখে সিন্ধু নদের ওপর নতুন ধরনের একটি বাঁধ নির্মাণ করেছে ভারত। লেহ জেলার উপশি এলাকায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পাথর ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ শিলা বাঁধ।

কোনো সিমেন্ট ব্যবহার না করে বড় বড় পাথর সাজিয়ে নির্মিত বাঁধটির কারণে নদীতে পানির উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট বেড়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকটে থাকা সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের জন্য সেচের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এতদিন পাহাড়ি গভীর খাদ দিয়ে সিন্ধু নদ প্রবাহিত হওয়ায় সাধারণ পাম্পের মাধ্যমে পানি তোলা কঠিন ছিল। বিশেষ করে বসন্তকালে বীজ বপনের সময় পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করত। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছিল।

নতুন বাঁধটিতে প্রায় ৪ কোটি লিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। সেখান থেকে খালের মাধ্যমে পানি সরাসরি শুকনো ও খরাপ্রবণ কৃষিজমিতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষিকাজের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনাতেও প্রকল্পটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের সঙ্গে পানি চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নদীর পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব বাড়াচ্ছে ভারত।

উপশির এই প্রকল্পের সাফল্যের পর লাদাখ প্রশাসন সিন্ধু নদসহ আশপাশের নদীগুলোতে আরও ৩৬টি ছোট বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লেহ ও কারগিল এলাকায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গেছে।

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর
blank

ফেনী থেকে কক্সবাজারগামী মহানগর এক্সপ্রেস, প্রথম দিনেই এক ঘণ্টা বিলম্ব

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর যে পদক্ষেপ নিল ভারত

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank

পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই লাদাখে সিন্ধু নদের ওপর নতুন ধরনের একটি বাঁধ নির্মাণ করেছে ভারত। লেহ জেলার উপশি এলাকায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পাথর ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ শিলা বাঁধ।

কোনো সিমেন্ট ব্যবহার না করে বড় বড় পাথর সাজিয়ে নির্মিত বাঁধটির কারণে নদীতে পানির উচ্চতা প্রায় ১০ ফুট বেড়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পানির সংকটে থাকা সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের জন্য সেচের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এতদিন পাহাড়ি গভীর খাদ দিয়ে সিন্ধু নদ প্রবাহিত হওয়ায় সাধারণ পাম্পের মাধ্যমে পানি তোলা কঠিন ছিল। বিশেষ করে বসন্তকালে বীজ বপনের সময় পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করত। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়েছিল।

নতুন বাঁধটিতে প্রায় ৪ কোটি লিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। সেখান থেকে খালের মাধ্যমে পানি সরাসরি শুকনো ও খরাপ্রবণ কৃষিজমিতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষিকাজের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনাতেও প্রকল্পটিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের সঙ্গে পানি চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নদীর পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব বাড়াচ্ছে ভারত।

উপশির এই প্রকল্পের সাফল্যের পর লাদাখ প্রশাসন সিন্ধু নদসহ আশপাশের নদীগুলোতে আরও ৩৬টি ছোট বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লেহ ও কারগিল এলাকায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গেছে।

দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।