ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগোতে হলে দুই পক্ষের স্বার্থ মানতে হবে: জয়শঙ্কর

blank

বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

শনিবার (২২ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ‘ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে’ তিনি বলেন, কোনো সম্পর্ক সফল করতে হলে উভয় পক্ষের স্বার্থ বুঝে সমঝোতার জায়গা তৈরি করতে হয়।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি জয়শঙ্কর। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই পক্ষের স্বার্থের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।

জয়শঙ্করের মতে, কোনো সম্পর্ক তখনই কার্যকর হয়, যখন তা উভয় পক্ষের জন্য কিছুটা হলেও উপকারী হয়। এক পক্ষ শুধু নিজের স্বার্থের কথা ভাবলে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া কঠিন। বরং দুই দেশের স্বার্থের মধ্যে একটি অভিন্ন জায়গা খুঁজে বের করাই সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার মূল ভিত্তি।

তার এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন শেখ হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সংঘাত, প্রতিযোগিতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তাই কোনো একটি দেশ বা উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো জরুরি।

জ্বালানি, সার ও আন্তর্জাতিক নৌপথের বাজারে অস্থিরতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধু কম খরচ নয়, ভবিষ্যতের ঝুঁকিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগও রয়েছে।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভারতকে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং আত্মনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক এগোতে হলে দুই পক্ষের স্বার্থ মানতে হবে: জয়শঙ্কর

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
blank

বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

শনিবার (২২ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ‘ইকোনমিক টাইমস ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে’ তিনি বলেন, কোনো সম্পর্ক সফল করতে হলে উভয় পক্ষের স্বার্থ বুঝে সমঝোতার জায়গা তৈরি করতে হয়।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলেও এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি জয়শঙ্কর। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই পক্ষের স্বার্থের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।

জয়শঙ্করের মতে, কোনো সম্পর্ক তখনই কার্যকর হয়, যখন তা উভয় পক্ষের জন্য কিছুটা হলেও উপকারী হয়। এক পক্ষ শুধু নিজের স্বার্থের কথা ভাবলে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া কঠিন। বরং দুই দেশের স্বার্থের মধ্যে একটি অভিন্ন জায়গা খুঁজে বের করাই সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার মূল ভিত্তি।

তার এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন শেখ হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সংঘাত, প্রতিযোগিতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বেড়েছে। তাই কোনো একটি দেশ বা উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ানো জরুরি।

জ্বালানি, সার ও আন্তর্জাতিক নৌপথের বাজারে অস্থিরতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধু কম খরচ নয়, ভবিষ্যতের ঝুঁকিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগও রয়েছে।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভারতকে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং আত্মনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।