ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪ বছর পর গণধর্ষণ মামলার রায়, তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

blank

ঢাকার নবাবগঞ্জে ২৪ বছর আগে সংঘটিত এক গণধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুজন, জুলহাস ও মোহাম্মদ।

আদালত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি সুজন ও মোহাম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অপর আসামি জুলহাস পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২২ মার্চ রাতে নবাবগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই তদন্ত শেষে পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে আদালতে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর দীর্ঘ ২৪ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

জনপ্রিয় খবর
blank

সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাড়াশে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

২৪ বছর পর গণধর্ষণ মামলার রায়, তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ৯ ঘন্টা আগে
blank

ঢাকার নবাবগঞ্জে ২৪ বছর আগে সংঘটিত এক গণধর্ষণ মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুজন, জুলহাস ও মোহাম্মদ।

আদালত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্তদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ আদায় করে ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি সুজন ও মোহাম্মদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। অপর আসামি জুলহাস পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২২ মার্চ রাতে নবাবগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ১৮ জুলাই তদন্ত শেষে পুলিশ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে আদালতে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর দীর্ঘ ২৪ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।