ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ হামলায় মা-মেয়েসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের মওলার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ময়ুরা খাতুন (৫৫) ও তার মেয়ে রাবিয়া খাতুন (১৫) গুরুতর আহত হন। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ময়ুরার মাথায় চারটি এবং রাবিয়ার মাথায় সাতটি সেলাই দিতে হয়েছে। তারা বর্তমানে চমেক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের রাতে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা-স্পেন বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে পরদিন সকালে একদল ব্যক্তি রাকিবুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসা প্রতিবেশীদের ওপরও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়।
ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম দাবি করেন, তাকে মারধরের সময় প্রতিবেশী ময়ুরা খাতুন বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা তার ওপর হামলা চালায়। মাকে রক্ষা করতে গেলে রাবিয়াও গুরুতর আহত হয়।
আহত পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, হামলার পর অভিযুক্তরা মামলা না করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ফলে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
স্থানীয়ভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ উঠলেও, এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার জানান, বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে সেই ঘটনার জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে পুলিশ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

অনলাইন ডেস্ক 


















