ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী

blank

অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এলাকায় চীনা সেনাবাহিনীর কথিত অনুপ্রবেশ ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় নাহ আদিবাসী সম্প্রদায়।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ দাবি করেছে, গত কয়েক বছরে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি, শিকার এলাকা এবং কৃষিজমির একটি বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

সংগঠনটির অভিযোগ অনুযায়ী, তাকসিং রেভিনিউ সার্কেলের আওতাধীন ওয়িং, পানিয়ার, মারপান, পোটরাং ও তিন্দিংতাংসহ পাঁচটি এলাকায় চীনা সেনাদের তৎপরতা বেড়েছে। স্থানীয়দের কাছে এসব স্থানের কয়েকটি পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবেও পরিচিত। তাদের দাবি, ২০২০ সাল পর্যন্ত যেসব এলাকায় স্থানীয়রা অবাধে যাতায়াত করতেন এবং গবাদিপশু চরাতেন, সেখানে বর্তমানে চীনা সেনারা সামরিক ক্যাম্প স্থাপন ও সড়ক নির্মাণ করেছে।

নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ভাষ্য, গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় পরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করে আসছে চীন।

এ বিষয়ে স্থানীয় নাচো বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগগুলোর প্রশাসনিক ও সরকারি পর্যায়ে নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত তদন্তের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তবে সীমান্ত এলাকায় চীনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও আগ্রাসী অবস্থান নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। আদিবাসীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি হারিয়ে ফেলবেন।

তবে এ বিষয়ে আপার সুবানসিরি জেলা প্রশাসন কিংবা অরুণাচল প্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয় খবর
blank

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী

প্রকাশের সময় : ২ মিনিট আগে
blank

অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এলাকায় চীনা সেনাবাহিনীর কথিত অনুপ্রবেশ ও জমি দখলের অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় নাহ আদিবাসী সম্প্রদায়।

সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ দাবি করেছে, গত কয়েক বছরে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি, শিকার এলাকা এবং কৃষিজমির একটি বড় অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

সংগঠনটির অভিযোগ অনুযায়ী, তাকসিং রেভিনিউ সার্কেলের আওতাধীন ওয়িং, পানিয়ার, মারপান, পোটরাং ও তিন্দিংতাংসহ পাঁচটি এলাকায় চীনা সেনাদের তৎপরতা বেড়েছে। স্থানীয়দের কাছে এসব স্থানের কয়েকটি পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবেও পরিচিত। তাদের দাবি, ২০২০ সাল পর্যন্ত যেসব এলাকায় স্থানীয়রা অবাধে যাতায়াত করতেন এবং গবাদিপশু চরাতেন, সেখানে বর্তমানে চীনা সেনারা সামরিক ক্যাম্প স্থাপন ও সড়ক নির্মাণ করেছে।

নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ভাষ্য, গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় পরিকল্পিতভাবে অবকাঠামো নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করে আসছে চীন।

এ বিষয়ে স্থানীয় নাচো বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তিনি অভিযোগগুলোর প্রশাসনিক ও সরকারি পর্যায়ে নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত তদন্তের আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তবে সীমান্ত এলাকায় চীনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা ও আগ্রাসী অবস্থান নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। আদিবাসীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি হারিয়ে ফেলবেন।

তবে এ বিষয়ে আপার সুবানসিরি জেলা প্রশাসন কিংবা অরুণাচল প্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।