ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

blank

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামে জোরপূর্বক জমি দখল ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। 

 

ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, জোরপূর্বক জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষ তাদের পরিবারের এক নারী সদস্যকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করেছে ও ভয়ভীতি দেখিয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জুলেখা বেগম (৩৮) বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে সলঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামের মো. আবু সাঈদের ছেলে মো. লিটন (৩০), আব্দুর রাজ্জাক (৪০), মেনহাজ আলী (২৮), তার স্ত্রী হাফিজা খাতুন (৫০), মো. ছমের আলী শেখের ছেলে বাবু মিয়া (৪৫), মিনু মিয়া (৪০), রেজাউল করিম (৩৫), আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী খাদিজা খাতুন (৩৫), আবু সাঈদের ছেলে এশারত আলী (২৮), বাবু মিয়ার ছেলে বিতান আলী (১৯), লিটনের মেয়ে আন্না খাতুন (২৫) ও এশারত আলীর স্ত্রী লাবনী খাতুন (২২) সহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের সুজাপুর মৌজায় তার স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া প্রায় ২০ শতক জমির মধ্যে ১২ শতক জমিতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে টিন ও বাঁশ দিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন অভিযুক্তরা। এতে বাধা দিতে গেলে বাবু গংয়ের নির্দেশে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করে।

 

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, ‘অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। সাব-ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমানকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত জানতে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।’

 

তদন্ত কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি অভিযোগে উল্লিখিত নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করেন।

 

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর
blank

জনগণ থেকে সরকারপ্রধানকে বিচ্ছিন্ন না করতে এসএসএফের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

সিরাজগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
blank

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামে জোরপূর্বক জমি দখল ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। 

 

ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, জোরপূর্বক জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষ তাদের পরিবারের এক নারী সদস্যকে গাছের সাথে বেঁধে মারধর করেছে ও ভয়ভীতি দেখিয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জুলেখা বেগম (৩৮) বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামি করে সলঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে পশ্চিম মথুরাপুর গ্রামের মো. আবু সাঈদের ছেলে মো. লিটন (৩০), আব্দুর রাজ্জাক (৪০), মেনহাজ আলী (২৮), তার স্ত্রী হাফিজা খাতুন (৫০), মো. ছমের আলী শেখের ছেলে বাবু মিয়া (৪৫), মিনু মিয়া (৪০), রেজাউল করিম (৩৫), আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী খাদিজা খাতুন (৩৫), আবু সাঈদের ছেলে এশারত আলী (২৮), বাবু মিয়ার ছেলে বিতান আলী (১৯), লিটনের মেয়ে আন্না খাতুন (২৫) ও এশারত আলীর স্ত্রী লাবনী খাতুন (২২) সহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের সুজাপুর মৌজায় তার স্বামীর ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া প্রায় ২০ শতক জমির মধ্যে ১২ শতক জমিতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে টিন ও বাঁশ দিয়ে বসতবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন অভিযুক্তরা। এতে বাধা দিতে গেলে বাবু গংয়ের নির্দেশে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারা হয়। একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করে।

 

এ বিষয়ে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাম জাফর বলেন, ‘অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। সাব-ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমানকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত জানতে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।’

 

তদন্ত কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি অভিযোগে উল্লিখিত নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করেন।

 

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।