ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামগড়ে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান

blank

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় পৌরসভায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন রামগড়। 

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের সময় রামগড় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বৈদ্যটিলা নামক স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

এই অভিযানে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অপরাধে মোঃ আরিফ নামের এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬খ এর বিধান লংঘনের কারণে উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর ১ উপধারার অধীন টেবিলের ক্রমিক নং ৫ এ উল্লিখিত (প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে) ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন বলেন, অভিযোগ আছে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলা অবৈধভাবে পাহাড় কাটছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ও হুমকির কারণ। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় কাটার ফলে পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাহাড় ধ্বসের কারণে জীবন ও সম্পদের ক্ষতিসাধন হচ্ছে। এতে অনেক সময় প্রাণহানিরও ঘটনা ঘটছে। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

 

অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে যারা জড়িত তাদের সবাইকে পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

মোবাইল কোর্টের উক্ত অভিযানে রামগড় থানা পুলিশের একটি টিম, আনসার সদস্য ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন।

blank

বিশ্ব বদলানো ১০০ মুখ: প্রকাশ পেল ‘টাইম ১০০’ তালিকা

রামগড়ে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান

প্রকাশের সময় : ০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
blank

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় পৌরসভায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন রামগড়। 

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের সময় রামগড় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের বৈদ্যটিলা নামক স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

এই অভিযানে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অপরাধে মোঃ আরিফ নামের এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬খ এর বিধান লংঘনের কারণে উক্ত আইনের ধারা ১৫ এর ১ উপধারার অধীন টেবিলের ক্রমিক নং ৫ এ উল্লিখিত (প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে) ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন বলেন, অভিযোগ আছে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাতের বেলা অবৈধভাবে পাহাড় কাটছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ও হুমকির কারণ। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় কাটার ফলে পাহাড় ধ্বসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাহাড় ধ্বসের কারণে জীবন ও সম্পদের ক্ষতিসাধন হচ্ছে। এতে অনেক সময় প্রাণহানিরও ঘটনা ঘটছে। অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

 

অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে যারা জড়িত তাদের সবাইকে পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

মোবাইল কোর্টের উক্ত অভিযানে রামগড় থানা পুলিশের একটি টিম, আনসার সদস্য ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন।