বাড়ির সামনেই ওত পেতে ছিল দুর্বৃত্তরা। ঘর থেকে বের হয়ে সামনের দিকে যেতেই তাঁকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকা ফখরুল আলম ওরফে রতনকে (৫০) উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের হরিচরণ লস্কর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে তাঁকে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নিহত ফখরুল আলম ওই গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে। তিনি আগে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করতেন। বর্তমানে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে থেকে জমিজমা দেখাশোনা করতেন।
নিহতের স্বজন, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে সামনের দিকে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা কয়েকজন দুর্বৃত্ত ফখরুল আলমকে ঘিরে ধরে। এরপর তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
ফখরুল আলমের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদল কুমার মণ্ডল বলেন, স্থানীয় পূর্বশত্রুতার জেরে কিংবা অন্য কোনো কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

অনলাইন ডেস্ক 



















